গত পাঁচ বছরে চীন থেকে ভারতের পণ্য আমদানি বেড়েছে প্রায় ২৯ শতাংশ। ২০১৭-১৮ অর্থবছরে এই আমদানি ছিল ৮ হাজার ৯৭১ কোটি ৪২ লাখ ৩০ হাজার ডলার। ২০২১-২২ অর্থবছরে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১১ হাজার ৫৪১ কোটি ৯৯ লাখ ৬০ হাজার ডলার। সম্প্রতি ভারতের কেন্দ্রীয় শিল্প ও বাণিজ্যমন্ত্রী অনুপ্রিয়া প্যাটেল লোকসভায় এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
ভারতের আমদানিকৃত চীনা পণ্যের তালিকায় রয়েছে বিপুল পরিমাণে পশু ও উদ্ভিজ্জ চর্বি, আকরিক, ধাতুমল ও ছাই, খনিজ জ্বালানি, রাসায়নিক পণ্য, কাগজ ও পেপারবোর্ড, তুলা, টেক্সটাইল ফ্যাব্রিক, ফুটওয়্যার, কাচ ও কাচজাত পণ্য, লোহা ও ইস্পাত, তামা, নিউক্লিয়ার রিঅ্যাক্টর, যন্ত্রপাতি ও যান্ত্রিক সরঞ্জাম, আসবাবপত্র ইত্যাদি।
২০২০ সালে চীনের ওপর থেকে আমদানিনির্ভরতা কমানোর ঘোষণা দেয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সরকার। এ লক্ষ্যে বিভিন্ন পদক্ষেপও নিচ্ছে তারা। সম্প্রতি ১৪টি খাতে প্রডাকশন লিংকড ইনসেনটিভ (পিএলআই) চালু করেছে সরকার। এর মাধ্যমে ভারতীয় উৎপাদকরা বিশ্ববাজারে প্রতিযোগী হয়ে উঠবেন।
যেসব খাতে পিএলআই ঘোষণা করা হয়েছে সেগুলো হলো- ড্রাগ ইন্টারমিডিয়েটস ও অ্যাক্টিভ ফার্মাসিউটিক্যাল ইনগ্রেডিয়েন্টস (এপিআই), ইলেকট্রনিকস পণ্যের লার্জ-স্কেল ম্যানুফ্যাকচারিং, মেডিকেল ডিভাইস উৎপাদন, বৈদ্যুতিক/প্রযুক্তি পণ্য, ওষুধ, টেলিকম ও নেটওয়ার্কিং পণ্য, খাদ্যপণ্য, গৃহস্থালি বৈদ্যুতিক পণ্য (এসি, এলইডি), উচ্চ-কার্যকরী সৌর প্যানেল, গাড়ি ও গাড়ির যন্ত্রাংশ, আধুনিক রাসায়নিক সেল ব্যাটারি, টেক্সটাইল পণ্য, বিশেষায়িত ইস্পাত এবং ড্রোন ও ড্রোনের উপকরণ।