দেশের অর্থনীতিতে এ মুহূর্তে অন্তত তিনটি বড় চ্যালেঞ্জ দেখছে প্রাচীনতম বাণিজ্য সংগঠন মেট্রোপলিটন চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (এমসিসিআই)। এগুলো হচ্ছে- রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ধরে রাখা , ভূরাজনীতি ও পরিবেশ বিষয়ক কমপ্লায়েন্স। সার্বিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতি মোটামুটি সন্তোষজনক পর্যায়ে রয়েছে বলে মনে করছে সংগঠনটি। আন্তর্জাতিক লেনদেনে ভারসাম্যের যে ঘাটতি রয়েছে, তা এখনও বড় ঝুঁকি তৈরি করেনি। রপ্তানি বাণিজ্যও যথেষ্ট ভালো।
শনিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) সাংবাদিকদের সাথে এক মতবিনিময় অনুষ্ঠানে সংগঠনের পক্ষে এ পর্যবেক্ষণ তুলে ধরেন সভাপতি মো. সাইফুল ইসলাম। রাজধানীর মতিঝিলে এমসিসিআই মিলনায়তনে অনুষ্ঠানে সংগঠনের সহসভাপতি হাবিবুল্লাহ এন করিম, পরিচালক আবেদিন হোসাইন খান এবং মহাসচিব ফারুক হাসান সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দেন।
এমসিসিআই সভাপতি বলেন, রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা ব্যবসা-বাণিজ্যকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। প্রতিবারই নির্বাচনের আগে রাজনৈতিক পরিস্থিতি অস্থিতিশীল হয়। আগামী নির্বাচন সামনে রেখে পরিস্থিতি স্থিতিশীল রাখতে রাজনীতিবিদরা দায়িত্বশীল হবেন বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।
ভূরাজনৈতিক চ্যালেঞ্জের ব্যাখ্যায় এমসিসিআই সভাপতি বলেন, করোনা পরিস্থিতি শেষ হতে না হতেই রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ চলছে। আবার তাইওয়ান-চীন উত্তেজনা চলছে। দুই দেশের মধ্যে যুদ্ধ বেধে গেলে তাইওয়ানের পক্ষ নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। অভ্যন্তরীণ রাজনীতির পাশাপাশি এই ভূরাজনীতির কারণে এক ধরনের অনিশ্চয়তা আছে অর্থনীতিতে। এতে রপ্তানি কমে যেতে পারে। শিল্প উৎপাদন ও কর্মসংস্থানে এবং সার্বিকভাবে মোট দেশজ উৎপাদনে (জিডিপি) নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে।
সাইফুল ইসলাম বলেন, বৈশ্বিক উষ্ণায়ন নিয়ে উদ্বেগ আছে বিশ্বব্যাপী। যদিও বাংলাদেশ এর জন্য খুব কমই দায়ী। তারপরও পরিবেশসম্মত উৎপাদন ব্যবস্থার জন্য বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ। পরিবেশ ঠিক না থাকলে প্রবৃদ্ধি বাধাগ্রস্ত হবে।