
পণ্য রপ্তানিতে শুল্ক হ্রাসে তুরস্কের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (ডিসিসিআই) সভাপতি রিজওয়ান রাহমান। তুরস্কের বাণিজ্যমন্ত্রী ড. মেহমুদ মুসের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাত্কালে তিনি এ আহ্বান জানান। সম্প্রতি তুরস্কের রাজধানী আঙ্কারায় এ সৌজন্য সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।
রিজওয়ান রাহমান বলেন, বাংলাদেশ ও তুরস্কের দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য ৯০০ মিলিয়ন ডলারের হলেও তা এখনো কাঙ্ক্ষিত পর্যায়ে পৌঁছায়নি। তবে পণ্যের বহুমুখীকরণ এবং ব্যবসা-বাণিজ্য ও বিনিয়োগ-সংক্রান্ত কর ও শুল্ক প্রতিবন্ধকতা নিরসনের মাধ্যমে বাণিজ্য ২ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত করা সম্ভব। দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য ও বিনিয়োগ আরো সম্প্রসারণে দুদেশের সরকারি ও বেসরকারি খাতের মধ্যকার যোগাযোগ আরও বাড়ানো প্রয়োজন।
বিশেষ করে বাংলাদেশের ১০০টি বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল ও ২৮টি হাই-টেক পার্কে বিনিয়োগে এগিয়ে আসার জন্য তুরস্কের উদ্যোক্তাদের প্রতি আহ্বান জানান ডিসিসিআই সভাপতি।
তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশে উৎপাদিত সিরামিক ও তৈরি পোশাক তুরস্কের বাজারে রপ্তানির ক্ষেত্রে যথাক্রমে ১৯ ও ১৭ শতাংশ হারে শুল্ক দিতে হয়। নির্ধারিত এ শুল্কহার কমানোর ওপর জোরারোপ করেন তিনি।
দুদেশের বাণিজ্য ও বিনিয়োগ এখনো আশানুরূপ নয় বলে উল্লেখ করেন তুরস্কের বাণিজ্যমন্ত্রী ড. মেহমুদ মুস। তিনি বলেন, দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য উন্নয়নে আমাদের একযোগে কাজ করতে হবে। বিদেশি বিনিয়োগকারীদের জন্য বাংলাদেশ একটি উত্কৃষ্ট গন্তব্যস্থল।