১৭ অক্টোবর পর্যন্ত ব্ল্যাক সি গ্রেইন ইনিশিয়েটিভের অধীনে মোট ২১ লাখ ২০ হাজার টন খাদ্যশস্য রপ্তানি করেছে ইউক্রেন। এর মধ্যে বেশিরভাগই গম ও ভুট্টা। রপ্তানির এই পরিমাণ গত বছরের একই সময়ের প্রায় কাছাকাছি। গত বছরের অক্টোবরের প্রথম ১৭ দিনে দেশটির খাদ্যশস্য রপ্তানির পরিমাণ ছিল ২১ লাখ ৭০ হাজার টন। অর্থাৎ মানবিক করিডোরের মাধ্যমে আবার যুদ্ধপূর্ব অবস্থায় ফিরে এসেছে ইউক্রেনের খাদ্যশস্য রপ্তানি।
যুদ্ধ শুরুর আগে ইউক্রেন প্রতি মাসে বিশ্ববাজারে ৬০ লাখ টন খাদ্যশস্য রপ্তানি করত। কিন্তু রাশিয়া দেশটিতে সামরিক অভিযান শুরুর পর কৃষ্ণ সাগরীয় বন্দরগুলো অবরোধ করে রাখে। এতে সমুদ্রপথে ইউক্রেনের খাদ্যশস্য রপ্তানি পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যায়। ফেব্রুয়ারি থেকে জুলাই পর্যন্ত দেশটি কেবল পশ্চিমাঞ্চলীয় সীমান্ত দিয়ে স্থল ও রেলপথে স্বল্প পরিমাণ শস্য রপ্তানি করতে পেরেছে।
গত ২২ জুলাই তুরস্ক ও জাতিসংঘের মধ্যস্থতায় খাদ্যশস্য পরিবহনের সুযোগ দিতে রাশিয়া ও ইউক্রেনের মধ্যে একটি চুক্তি স্বাক্ষর হয়। চুক্তির অধীনে ১ আগস্ট প্রথমবারের মতো ইউক্রেনের ওডেসা বন্দর থেকে ২৬ হাজার টন ভুট্টা বোঝাই করে লেবাননের পথে যাত্রা করে রাজোনি নামের সিয়েরা লিওনের পতাকাবাহী একটি জাহাজ।
উল্লেখ্য, বৈশ্বিক গম সরবরাহে রাশিয়া ও ইউক্রেন গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার। আফ্রিকা, মধ্যপ্রাচ্যসহ বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চল এই দুই দেশের খাদ্যশস্য রপ্তানির ওপর অনেকাংশে নির্ভরশীল।