বাংলাদেশের রপ্তানি বহুমুখীকরণের জন্য সমন্বিত রপ্তানি নীতি প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন প্রয়োজন। একই সময়ে বৈচিত্র্যের জন্য বিশ্ববাজারে উচ্চ সম্ভাবনার পণ্যের প্রতিও গুরুত্বারোপ করা প্রয়োজন। বৃহস্পতিবার রাতে রাজধানীর এক হোটেলে পলিসি এক্সচেঞ্জ বাংলাদেশ আয়োজিত ‘এক্সপোর্ট ডাইভারসিফিকেশন ইম্পেরেটিভ: কি সেক্টরাল অপরচুনিটিস অ্যান্ড পলিসি প্রায়োরিটিস ফর বাংলাদেশ’ শীর্ষক সেমিনারে বক্তারা এমন মত দেন।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব তপন কান্তি ঘোষ। মূল বক্তব্য উপস্থাপন করেন পলিসি এক্সচেঞ্জের চেয়ারম্যান ড. এম. মাসরুর রিয়াজ। সভাপতিত্ব করেন পিআরআইর নির্বাহী পরিচালক ড. আহসান এইচ মনসুর।
ড. মাসরুর রিয়াজ বলেন, রপ্তানিতে ভালো অগ্রগতি হয়েছে। তবে প্রবৃদ্ধির মডেলটি তৈরি পোশাকপণ্যের ওপর অত্যন্ত নির্ভরশীল। বহুমুখীকরণের গুরুত্ব সম্পর্কে সরকারি-বেসরকারি খাতের সহমত সত্ত্বেও অগ্রগতির মাত্রা সীমিত। ভিয়েতনাম ও থাইল্যান্ডের মতো সমন্বিত নীতি, বাস্তবায়ন কৌশল এবং অগ্রাধিকার রপ্তানি খাত উন্নয়নে সামগ্রিক কর্মসূচির অনুপস্থিতিসহ বিভিন্ন কারণ রয়েছে।
বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব আব্দুর রহিম খান, অর্থ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব ড. খায়রুজ্জামান মজুমদার, ইআরডির যুগ্ম সচিব আনোয়ার হোসেন, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের মহাপরিচালক ড. মুনতাসির মামুন, বিল্ডের চেয়ারপারসন ব্যারিস্টার নিহাদ কবির, এমসিসিআইর সহ-সভাপতি হাবিবুল্লাহ করিম, এফবিসিসিআইর পরিচালক আবুল কাসেম খান, বিজিএমইএর পরিচালক আসিফ ইব্রাহিম, বাংলাদেশ আউটসোর্সিং অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ওয়াহিদ শরীফ, বেঙ্গল মিটের সিইও আহমেদ আসিফ প্রমুখ সভায় উপস্থিত ছিলেন।