নতুন নিয়ম অনুযায়ী শতভাগ মার্জিন দিয়েও ব্যাংক থেকে গাড়ি আমদানির জন্য এলসি খুলতে পারছেন না আমদানিকারকরা। এতে গাড়ি আমদানি প্রায় বন্ধের উপক্রম হয়েছে। বিলাসপণ্য হিসেবে বিবেচিত হওয়ায় শতভাগ এলসি মার্জিনের আওতাভুক্ত হয়েছে গাড়ি আমদানি। কিন্তু বর্তমান অর্থনৈতিক অগ্রগতির বাস্তবতায় গাড়ি এখন মানুষের প্রয়োজনীয় পণ্যে পরিণত হয়েছে। তাছাড়া সড়কপথে পণ্য পরিবহনে ট্রাক ও পিকআপ ভ্যান ছাড়া অন্য কোনো বিকল্প নেই। করোনা মহামারীকালীন ট্রাক ও পিকআপ ভ্যানের কারণেই দেশজুড়ে পণ্যের সাপ্লাই চেইন স্বাভাবিক ছিল। তাই এসব বিবেচনায় গাড়িকে বিলাসপণ্যের আওতার বাইরে রাখার আহ্বান জানান আমদানিকারকরা।
বৃহস্পতিবার সকালে এফবিসিসিআই কার্যালয়ে আয়োজিত অটোমোবাইলবিষয়ক স্ট্যান্ডিং কমিটির দ্বিতীয় সভায় এ খাতের ব্যবসায়ীরা এ আহ্বান জানান। এফবিসিসিআই এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে বিষয়টি গণমাধ্যমকে জানিয়েছে।
বৈঠকে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এফবিসিসিআই সভাপতি মো. জসিম উদ্দিন বলেন, বাংলাদেশে একটি বিদেশি কোম্পানি ইলেকট্রিক গাড়ি নির্মাণের উদ্যোগ নিয়েছে। নিবন্ধন সমস্যার সমাধান না হলে এ বিনিয়োগ বিফলে যেতে পারে।
এফবিসিসিআইর সহসভাপতি ও কমিটির ডিরেক্টর ইন-চার্জ মো. হাবীব উল্লাহ ডন বলেন, বৈশ্বিক সংকটের কারণে শতভাগ মার্জিন দিয়ে হলেও আমরা এলসি খুলতে চাই। তারপরেও বিভিন্ন কাগজপত্রের নামে ব্যাংকগুলো গাড়ি আমদানিকে নিরুৎসাহিত করছে।
বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন কমিটির চেয়ারম্যান ও রানার অটোমোবাইলসের চেয়ারম্যান হাফিজুর রহমান খান।