বৈশ্বিক মূল্যস্ফীতিতে বেড়েছে জাহাজ পরিচালনা ব্যয়: ড্রিউরির প্রতিবেদন

করোনাভাইরাস মহামারির সময়ে শিপিং খাতে কিছু পরিচালন ব্যয় বেড়ে গিয়েছিল। সেই বাড়তি ব্যয়ের চাপ এখন অনেকটাই কম। তবে তাতেও স্বস্তিতে থাকতে পারছেন না সমুদ্র পরিবহন খাতসংশ্লিষ্টরা। বিশ্বজুড়ে এখন সামষ্টিক অর্থনৈতিক মূল্যচাপ বিরাজ করছে, যার কারণে ২০২২ সালে জাহাজ পরিচালনার ব্যয় ঊর্ধ্বমুখী রয়েছে। শিপিং কনসাল্ট্যান্সি ফার্ম ড্রিউরি প্রকাশিত ‘শিপ অপারেটিং কস্টস অ্যানুয়াল রিভিউ অ্যান্ড ফোরকাস্ট ২০২২/২৩’ শীর্ষক সাম্প্রতিক একটি প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

প্রতিবেদনে ৪৭টি ভিন্ন ভিন্ন ধরনের ও আকারের জাহাজের দৈনিক গড় পরিচালন ব্যয় পর্যালোচনা করা হয়েছে। এতে দেখা গেছে, ২০২২ সালে এই ব্যয় ২ দশমিক ২ শতাংশ বেড়ে ৭ হাজার ৪৭৪ ডলারে দাঁড়িয়েছে। এ নিয়ে টানা পাঁচ বছর জাহাজ পরিচালন ব্যয়ের দৈনিক গড় বাড়ল। ২০২১ সালে এই বৃদ্ধির হার ছিল ১ দশমিক ৩ শতাংশ।

২০২২ সালে পরিচালন ব্যয় বৃদ্ধির অন্যতম বড় কারণ ছিল লুব্রিকেটিং অয়েলের খরচ বেড়ে যাওয়া। অপ্রতুল সরবরাহ এবং জ্বালানি তেলের দাম বেশি থাকায় লুব্রিকেটিং অয়েলবাবদ খরচ বেড়েছে ১৫ শতাংশ। এছাড়া মেরিন ইন্স্যুরেন্স কাভারেজের খরচও ২০২২ সালে বেড়েছে ৮ শতাংশ। গত বছর এই প্রবৃদ্ধির হার ছিল ৭ শতাংশ।

এছাড়া জাহাজ পরিচালনার অন্যান্য খাতেও ব্যয় বেড়েছে। যেমন ড্রাই ডকিং খরচ বেড়েছে ৬ শতাংশ। স্টোরস অ্যান্ড স্পেয়ারস কস্ট বেড়েছে ২ শতাংশ। অবশ্য করোনাকালে বিভিন্ন বিধিনিষেধের কারণে যে কর্মীসংকট দেখা দিয়েছিল, এখন তা আর নেই। ফলে ২০২২ সালে কর্মী খরচ মোটামুটি স্বাভাবিক রয়েছে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here