নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য ও সার আমদানি কোনোভাবেই বাধাগ্রস্ত করা যাবে না। সরকারি খাতের পাশাপাশি বেসরকারি পর্যায়েও গম, চাল, তেল, চিনির মতো খাদ্যপণ্য আমদানিতে ডলারের সংস্থান করতে হবে। খাদ্য সরবরাহে যেন কোনো সংকট তৈরি না হয় তা নিশ্চিত করতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এমন নির্দেশ দিয়েছেন। রবিবার প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে সার্বিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা হয়। বৈঠকে তিনি এ নির্দেশ দেন।
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এ বৈঠকে নিত্যপ্রয়োজনীয় কিছু পণ্যে শুল্ক কমানো, বিলাসবহুল পণ্যে প্রয়োজনে শুল্ক্ক আরও বাড়ানো এবং রেমিট্যান্স বাড়াতে হুন্ডি কারবারিদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী নির্দেশনা দিয়েছেন। এ ছাড়া ডলারের চাহিদা ও সরবরাহ পরিস্থিতি, সরকারের ভর্তুকি, ঋণের সুদহারে সীমা, আইএমএফের ঋণের শর্তসহ নানা বিষয়ে আলোচনা হয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সাম্প্রতিক বিভিন্ন বক্তব্যে বিশ্ব অর্থনীতিতে সম্ভাব্য মন্দা ও দুর্ভিক্ষের প্রভাব যাতে না পড়ে সে জন্য সতর্ক থাকার তাগিদ দিচ্ছেন। বিশেষ করে খাদ্য উৎপাদন বাড়ানোর পরামর্শ দিচ্ছেন।
বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব ড. আহমদ কায়কাউস, বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর আব্দুর রউফ তালুকদার, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব তপন কান্তি ঘোষ, বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. হাবিবুর রহমান, শিল্প সচিব জাকিয়া সুলতানা, খাদ্য সচিব মো. ইসমাইল হোসেন এনডিসি, অর্থ সচিব ফাতিমা ইয়াসমিন প্রমুখ।