নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী এমপি বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২০৫০ সালের মধ্যে বাংলাদেশের মেরিটাইম খাতকে সবুজ বিপ্লবের দিকে এগিয়ে নিতে উদ্যোগ নিয়েছেন।
তাঁর এ উদ্যোগের প্রতি সমর্থন জোরদার করার জন্য প্রতিমন্ত্রী আন্তর্জাতিক মেরিটাইম অর্গানাইজেশন (আইএমও) এবং প্রধান মেরিটাইম অংশীদারদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।
তিনি বলেন, সবুজ মেরিটাইম শিল্পে রূপান্তরের জন্য বাংলাদেশ, ল্যান্ডলকড ডেভেলপিং কান্ট্রি (এলএলডিসি) এবং ছোট দ্বীপ উন্নয়নশীল রাষ্ট্রগুলোর (এসআইডিএস) আইএমও এবং প্রধান মেরিটাইম অংশীদারদের আর্থিক, প্রযুক্তিগত এবং জ্ঞান সহায়তা প্রয়োজন।
প্রতিমন্ত্রী ২ ডিসেম্বর লন্ডনের আইএমও সদর দপ্তরে অনুষ্ঠিত ১২৮তম আইএমও কাউন্সিল চলাকালীন বাংলাদেশ হাইকমিশন আয়োজিত ’বাংলাদেশ মেরিটাইম ইন্ডাস্ট্রি: দ্য রোড টু ডিকার্বনাইজেশন’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে এ আহবান জানান।
২০২৩ সালের মধ্যে হংকং কনভেনশন অনুসমর্থনের বিষয়ে বাংলাদেশের প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করে তিনি বলেন, বাংলাদেশ বর্তমানে নিরাপদ এবং পরিবেশগতভাবে দায়িত্বশীল জাহাজ পুনর্ব্যবহার করার জন্য আইএমও’র সেনস্রেক প্রকল্পের তৃতীয় পর্যায়ে অংশীদারিত্ব করছে এবং ইতিমধ্যে বিশ্বের নেতৃস্থানীয় জাহাজ পুনঃব্যবহারকারী দেশ হিসেবে ইস্পাত ব্যবহার হ্রাস ও পুনঃব্যবহারের মাধ্যমে বৈশ্বিক ডিকার্বনাইজেশনে যথেষ্ট অবদান রেখেছে।
অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন যুক্তরাজ্যে বাংলাদেশের হাইকমিশনার এবং আইএমও’তে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি সাইদা মুনা তাসনিম, আইএমও’র মহাসচিব কিট্যাক লিম, ভারতের নৌপরিবহন, বন্দর ও নৌপথ মন্ত্রণালয়ের সচিব এবং আইএমও কাউন্সিলে ভারতীয় প্রতিনিধিদলের প্রধান ড. সঞ্জীব রঞ্জন ও বাংলাদেশের নৌপরিবহন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক কমডোর মো. নিজামুল হকসহ বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধিরা।