নিকেল রপ্তানি বন্ধ করা অথবা অপরিশোধিত নিকেল আকরিক পরিশোধনের সুযোগ দেয়, এমন কোনো আইন গ্রহণের অধিকার ইন্দোনেশিয়ার নেই বলে ডিসেম্বরের গোড়ার দিকে জানিয়ে দিয়েছে বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থা (ডব্লিউটিও)। এ নিয়ে অভিযোগকারী ইউরোপীয় ইউনিয়নের জন্য এটা একটা বিজয়। ডব্লিউটিওর এই সিদ্ধান্তের মধ্য দিয়ে গুরুত্বপূর্ণ খনিজ নিয়ে জাতীয় স্বার্থ ও বৈশ্বিক বাণিজ্যবিধির মধ্যে দ্বন্দ্বের বিষয়টি সামনে চলে এসেছে।
গুরুত্বপূর্ণ খনিজে বিনিয়োগ ও বাণিজ্যের জন্য জাতীয় নিরাপত্তাকে অগ্রাধিকার দিয়ে বিশেষ আইনের খসড়া তৈরি করেছে অস্ট্রেলিয়াসহ কমপক্ষে ১৪টি দেশ। ব্যাটারি ও স্টেইনলেস স্টিলের গুরুত্বপূর্ণ উপাদান নিকেল তালিকায় সাতটি খনিজের অন্যতম।
তবে ইন্দোনেশিয়ার প্রেসিডেন্ট জোকো উইডোডো বলেছেন, ডব্লিউটিওর রায়ই এ বিষয়ে শেষ কথা নয়। নিকেল ইস্যুতে ডব্লিউটিওতে আমরা হেরে গেছি ঠিক আছে। কিন্তু আমি আমার মন্ত্রীকে এর বিরুদ্ধে আপিল করতে বলেছি।