রূপসা রেলসেতু ও খুলনা-মোংলা রেললাইন বাংলাদেশ-ভারত উন্নয়ন অংশীদারত্বের উদাহরণ বলে উল্লেখ করেছেন ঢাকায় নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার প্রণয় ভার্মা। শুক্রবার বিকালে খুলনার রূপসা নদীতে নির্মিত রেলসেতু পরিদর্শনকালে তিনি এ কথা বলেন।
প্রণয় ভার্মা বলেন, রূপসা রেলসেতু ও খুলনা-মোংলা রেললাইন দুদেশের ব্যবসা-বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। আশা করছি, এ রেললাইন বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের পর্যটন খাতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।
খুলনা বিভাগে দুই দিনব্যাপী এ সফরের প্রথম দিন প্রণয় ভার্মা রূপসা নদীর ওপর নির্মিত রেলসেতুর স্থলে পৌঁছান। সেখানে তিনি কিছু সময় খুলনা-মোংলা রেললাইন প্রকল্পের প্রকল্প অফিসের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। পরে তিনি রেলসেতু পরিদর্শন করেন।
১৬৯ মিলিয়ন ডলার ব্যয়ে নির্মিত রূপসা ব্রিজ শুধু বাংলাদেশ নয়, এ অঞ্চলের ব্যবসা বাণিজ্য ও কানেকটিভিটিতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে বলেও আশা প্রকাশ করেন ভারতীয় হাইকমিশনার। তিনি বলেন, মোংলা বন্দরে যেসব জাহাজ আসে খুলনা-মোংলা রেললাইনের মাধ্যমে সেসব জাহাজের মালপত্র দ্রুত দেশের সমস্ত জায়গায় সরবরাহ করে বাংলাদেশ অর্থনৈতিকভাবে লাভবান হবে। একইভাবে মোংলা বন্দর ব্যবহার করে ভারতও অর্থনৈতিকভাবে লাভবান হবে।
ভারতীয় হাইকমিশন জানিয়েছে, দক্ষিণ এশিয়ায় ভারত বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় উন্নয়ন সহযোগী। ভারত এরই মধ্যে বাংলাদেশকে প্রায় ৮ বিলিয়ন ডলারের এলওসি প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।