বিগত বছরের মোট সামুদ্রিক দুর্ঘটনার অর্ধেক সংঘটিত হয়েছে বন্দর এবং টার্মিনালে। যার অধিকাংশ বন্দরের বিভিন্ন পরিষেবা গ্রহণের সময় ঘটেছে।
সমুদ্রপথে চলাচলকারী জাহাজের দুর্ঘটনার ধরন বোঝার জন্য ইন্টারন্যাশনাল মেরিটাইম অর্গানাইজেশন, পোর্ট স্টেট কন্ট্রোল (পিএসসি), একাধিক সমিতি, জাহাজ মালিক, ম্যানেজার এবং ফ্ল্যাগশিপ স্টেটগুলোর কাছ থেকে তথ্য সংগ্রহ করেছে রাইটশিপ। রাইটশিপের তথ্য অনুযায়ী, ২০২২ সালে ২৪০০টি সামুদ্রিক দুর্ঘটনার সময় জাহাজের অবস্থান লিপিবদ্ধ করা হয়েছিল। সেসব তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, মোট দুর্ঘটনার অর্ধেক বন্দর এবং টার্মিনালে সংঘটিত হয়েছে। যার ভেতর ৮১৩টি দুর্ঘটনা জাহাজ বন্দরে নোঙর করা অবস্থায় ঘটেছে। রাইটশিপের পোর্ট এবং টার্মিনাল ম্যানেজার ইউসেল ইলদিজ জানান, বড় বড় বন্দরগুলো প্রতিদিন বিভিন্ন ধরনের জাহাজ পরিচালনা এবং আদর্শ মান অনুযায়ী নিরাপত্তা প্রদান করতে সক্ষম। তারপরও বন্দরের সীমানায় প্রবেশের পর জাহাজগুলোকে বেশকিছু ঝুকির সম্মুখীন হতে হয়। আমরা যা ধারণা করেছিলাম এসব ঝুঁকির পরিমাণ তার চেয়েও বেশি। যার ফলে বন্দরগুলোকে সবসময় ঝুঁকি মোকাবিলার জন্য প্রস্তুত থাকতে হবে। সেসঙ্গে দুর্ঘটনা মোকাবিলার সময় বন্দরের স্বাভাবিক কার্যক্রম যেন সচল থাকে সেই বিষয়টিও নিশ্চিত করতে হবে।
রাইটশিপ জানায়, দুর্ঘটনার কারণে জাহাজ চলাচলে বিলম্ব, মালামালের ক্ষয়ক্ষতি এবং দূষণের সৃষ্টি হতে পারে। এতে বন্দরের বাণিজ্যিক কার্যক্রম ব্যাহত হয়। জাহাজ বন্দরে নোঙর করার আগে সম্ভাব্য ঝুঁকিগুলো পর্যালোচনা করলে এবং জাহাজ আসা-যাওয়ার তথ্য নথিভুক্ত রাখলে ঝুঁকি মোকাবিলায় কার্যকর পরিকল্পনা করা সম্ভব।