শ্রমিকদের উৎসাহ বোনাস দিয়েছে চট্টগ্রাম বন্দর

২০২১ সালের চট্টগ্রাম বন্দরের কনটেইনার হ্যান্ডলিং লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত হওয়ায় বার্থ অপারেটর, টার্মিনাল অপারেটর ও শিপ হ্যান্ডলিং অপারেটরদের অধীনে নিয়োজিত ৬ হাজার ৬৯০ জন শ্রমিককে ৬ কোটি ২ লাখ ১০ হাজার টাকা উৎসাহ বোনাস দিয়েছে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ।

রবিবার নবনির্মিত পতেঙ্গা কনটেইনার টার্মিনালে শ্রমিকদের হাতে বোনাসের চেক তুলে দেন নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী এমপি। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রিয়ার অ্যাডমিরাল এম শাহজাহান।

নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী বলেন, চট্টগ্রাম বন্দরের পরিধি যত বাড়ছে, শ্রমজীবি মানুষের পরিধিও তত বাড়ছে। আমাদের সরকারের দৃষ্টিভঙ্গি হলো, শ্রমিকরাও একসময় মালিক হবে। বর্তমান সরকারের ধারাবাহিকতা যদি থাকে, তাহলে শ্রমিকরা প্রণোদনা নিবে শুধু নয়, প্রণোদনা দিবে, প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টিভঙ্গি হলো সেটাই।

এ সময় শ্রমিক-কর্মচারীদের কল্যাণে বেশ কিছু সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধির ঘোষণা দেন প্রতিমন্ত্রী। এর মধ্যে রয়েছে, কোনো শ্রমিক মৃত্যুবরণ করলে ৪৮ দিনের সমপরিমাণ যে অর্থ প্রাপ্য হন, তা ৫২ দিনে উন্নীত করা, বর্হিনোঙরে পণ্য খালাসে নিয়োজিত শ্রমিকদের জন্য বিশ্রামাগার নির্মাণ এবং শ্রমিক স্বাস্থ্য সেবা কেন্দ্রের চিকিৎসা সেবার সুযোগ-সুবিধা আরও বৃদ্ধি করা।

সভাপতির বক্তব্যে বন্দর চেয়ারম্যান বলেন, করোনাকালের কঠিন সময়ে শ্রমিক-কর্মচারীদের নিরলস পরিশ্রমের কারণেই আমরা চট্টগ্রাম বন্দরের হ্যান্ডলিং কার্যক্রম স্বাভাবিক রাখতে পেরেছিলাম। আমরা সবসময় শ্রমিকদের কল্যাণে কাজ করছি, সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধি করছি। আগামীতে কিভাবে শ্রমিকদের কল্যাণে আরও বেশি সুযোগ-সুবিধা দেওয়া যায়, সে পরিকল্পনা আমাদের রয়েছে।

এ সময় তিনি করোনাকালে মৃত্যুবরণকারী বন্দরের সকল কর্মকর্তা-কর্মচারী ও শ্রমিকদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন।

চেক প্রদান অনুষ্ঠানে বন্দরের পরিচালকগণ, বিভাগীয় প্রধানগণ ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here