মহান স্বাধীনতা দিবস উদযাপন করেছে চট্টগ্রাম বন্দর

পুষ্পস্তবক অর্পণ করে জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান বীর শহীদদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রিয়ার অ্যাডমিরাল এম শাহজাহান ও পর্ষদ সদস্যবৃন্দ

বিভিন্ন কর্মসূচি পালনের মাধ্যমে যথাযোগ্য মর্যাদায় চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ মহান স্বাধীনতা দিবস উদযাপন করেছে। রবিবার দিনের শুরুতে কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রিয়ার অ্যাডমিরাল এম শাহজাহান বন্দর রিপাবলিক ক্লাব প্রাঙ্গণে স্মৃতিসৌধে জাতীয় পতাকা উত্তোলন, অভিবাধন গ্রহণ করেন এবং পুষ্পস্তবক অর্পণ করে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান। এ সময় বন্দরের সকল পর্ষদ সদস্য, বিভগীয় প্রধান, সর্বস্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং চট্টগ্রাম বন্দর কর্মচারী পরিষদের সভাপতি-সাধারণ সম্পাদক, অবসরপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধা কর্মকর্তা-কর্মচারী ও অন্যান্য নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন ।

স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে বন্দর ভবন, ওয়ার্কশপ, আবাসিক ভবন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, ক্লাব এবং বন্দরে অবস্থানরত জাহাজ ও অন্যান্য জলযানসমূহে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়।

স্বাধীনতা দিবস এবং জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্ব এবং দেশের উন্নয়ন বিষয়ে আলোচনা সভা, প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন ও পুরস্কার বিতরণ করা হয় শহীদ মো. ফজলুর রহমান মুন্সী অডিটোরিয়ামে।

আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে বন্দর চেয়ারম্যান বলেন, হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙ্গালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের দৃঢ় নেতৃত্বে স্বাধিকার থেকে স্বাধীনতার আন্দোলনে দেশের সর্বস্তরের জনগণ ঝাঁপিয়ে পড়েছিলেন। যার ফলশ্রুতিতে আমরা স্বাধীনতা অর্জন করেছি।

তিনি আরও বলেন, মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে ধারণ করে যার যার অবস্থান থেকে বলিষ্ঠ ভূমিকা রেখে ২০৪১ সালে স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ে তুলতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করার প্রচেষ্টা করতে হবে।

বক্তব্য শেষে তিনি বন্দর কর্তৃপক্ষের বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ছাত্র-ছাত্রীদের অংশগ্রহণে রচনা, চিত্রাঙ্কন ও কুইজ প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করেন।

দিবসটি উপলক্ষে বন্দরের আওতাধীন সকল মসজিদ, এবাদতখানা, মন্দির ও বৌদ্ধ বিহারে বিশেষ দোয়া ও প্রার্থনার আয়োজন করা হয়। বন্দর হাসপাতালে অভ্যন্তরীণ রোগীদের মাঝে উন্নতমানের খাবার পরিবেশন করা হয়। এ ছাড়া বন্দরের জেটিতে অবস্থানরত জাহাজের ক্যাপ্টেনদের শুভেচ্ছা স্মারক হিসেবে ফ্রুট বাস্কেট ও ফুলের তোড়া দিয়ে শুভেচ্ছা জানানো হয়। এর আগে ২৫ মার্চ রাত ১২ টায় বন্দরে অবস্থানরত সকল জাহাজে এক মিনিট ভেঁপু বাজানো হয় এবং রাত ৯টা থেকে ৯ টা ১ মিনিট পর্যন্ত ২৫ মার্চ রাতে গণহত্যায় নিহতদের স্মরণে বন্দর সংরক্ষিত এলাকার বাইরে ব্ল্যাক আউট করা হয়।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here