এশিয়ার দেশগুলোয় মার্চে জ্বালানি তেলের আমদানি বেড়েছে। চীন ও ভারতের আমদানি বৃদ্ধি এক্ষেত্রে বড় প্রভাব ফেলেছে। অবশ্য ফেব্রুয়ারির তুলনায় মোট আমদানি বাড়লেও দৈনিক গড় আলোচ্য সময়ে কিছুটা কমেছে।
রেফিনিটিভ অয়েল রিসার্চের প্রতিবেদন অনুসারে, গত মাসে এশিয়ায় জ্বালানি তেলের মোট আমদানি ছিল ১১ কোটি ৬৭ লাখ ৩০ হাজার টন। দৈনিক গড় ২ কোটি ৭৬ লাখ ব্যারেলের সমান। আমদানির এ পরিমাণ ফেব্রুয়ারির তুলনায় ৪ শতাংশ বেশি। সে মাসে এশিয়ায় জ্বালানি তেলের মোট আমদানি ছিল ১১ কোটি ২৩ লাখ ২০ হাজার টন। দৈনিক গড় ভিত্তিতে মার্চে আমদানি ৬ দশমিক ১ শতাংশ কমেছে ফেব্রুয়ারির চেয়ে। সেই মাসে দৈনিক গড় আমদানি ছিল ২ কোটি ৯৪ লাখ ব্যারেল।
সার্বিকভাবে চলতি বছরের প্রথম প্রান্তিকে (জানুয়ারি-মার্চ) আমদানি শক্তিশালী অবস্থানে রয়েছে। আলোচ্য সময়ে আমদানি দৈনিক গড় ভিত্তিতে ২ কোটি ৮৬ লাখ ৭০ হাজার ব্যারেলে পৌঁছেছে, গত বছরের শেষ প্রান্তিকের চেয়ে যা ৬ দশমিক ৩ শতাংশ বেশি। ২০২২ সালে এশিয়ার দৈনিক গড় আমদানি ছিল ২ কোটি ৬৯ লাখ ৬০ হাজার ব্যারেল।
মার্চে চীনের আমদানি ছিল চার মাসের তুলনায় সর্বোচ্চ। আলোচ্য সময়ে দেশটি মোট জ্বালানি আমদানি করেছে ৪ কোটি ৯২ লাখ ৬০ হাজার টন, ফেব্রুয়ারিতে যার পরিমাণ ছিল ১ কোটি ৬ লাখ ৬০ হাজার ব্যারেল।
মার্চে ভারতের জ্বালানি তেল আমদানি ছিল মোট ১ কোটি ১২ লাখ ৩০ হাজার টন, যার ৩৪ শতাংশ এসেছে রাশিয়া থেকে। আলোচ্য সময়ে দেশটি রাশিয়া থেকে ৪ লাখ টন ইউরাল গ্রেড জ্বালানি তেল কিনেছে। এ সময়ে চীনের আমদানি করা ইউরাল গ্রেড জ্বালানির পরিমাণ ১৫ লাখ ৬০ হাজার টন।