প্রথম প্রান্তিকে কোরীয় জাহাজনির্মাতাদের ব্যবসা চাঙ্গা

২০২৩ সালের প্রথম প্রান্তিকটা বেশ ভালো কাটল দক্ষিণ কোরিয়ার জাহাজনির্মাতাদের জন্য। এ সময়ে নতুন জাহাজ নির্মাণের কার্যাদেশ বৈশ্বিকভাবে খানিকটা গতি হারালেও কোরিয়ার অবস্থা ছিল ভিন্ন। আলোচ্য সময়ে দেশটির শীর্ষ তিন জাহাজ নির্মাণকারী কোম্পানি তাদের পুরো বছরের লক্ষ্যমাত্রার এক-তৃতীয়াংশ কার্যাদেশ বাগিয়ে নিতে সক্ষম হয়েছে।

মার্চ মাসে জাহাজ নির্মাণের কার্যাদেশ প্রাপ্তির দিক থেকে এগিয়ে রয়েছে কোরিয়ার প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী চীন। তবে সার্বিকভাবে প্রথম প্রান্তিকের হিসাবে তারা কোরিয়ার চেয়ে কিছুটা পিছিয়ে পড়েছে। এক্ষেত্রে তুলনামূলক বেশি মার্জিনের জাহাজ নির্মাণের ওপর জোর দেওয়া সহায়ক হয়েছে কোরিয়ার জন্য।

দক্ষিণ কোরিয়ার শীর্ষ তিনটি জাহাজনির্মাতা কোম্পানি হলো হুন্দাইয়ের জাহাজনির্মাণ কার্যক্রমের মূল প্রতিষ্ঠান কোরিয়া শিপবিল্ডিং অ্যান্ড অফশোর ইঞ্জিনিয়ারিং (কেএসওই), স্যামসাং হেভি ইন্ডাস্ট্রিজ ও দাইয়ু শিপবিল্ডিং অ্যান্ড মেরিন ইঞ্জিনিয়ারিং (ডিএসএমই)। বছরের প্রথম তিন মাসে কোম্পানি তিনটি সম্মিলিতভাবে মোট ১ হাজার ৫০ কোটি ডলারের কার্যাদেশ পেয়েছে, যেখানে পুরো বছরের জন্য তাদের লক্ষ্যমাত্রার পরিমাণ ৩ হাজার ২০০ কোটি ডলার।

প্রথম প্রান্তিকে নতুন জাহাজ নির্মাণের কার্যাদেশ পাওয়ার দিক থেকে এগিয়ে রয়েছে কেএসওই। তাদের কার্যাদেশের পরিমাণ ৭৩০ কোটি ডলার, যা তাদের বার্ষিক লক্ষ্যমাত্রার ৪৬ শতাংশের বেশি। স্যামসাংয়ের ঝুলিতে গেছে ২৫০ কোটি ডলারের কার্যাদেশ, যা তাদের বার্ষিক লক্ষমাত্রার ২৫ শতাংশের বেশি। সেই তুলনায় দাইয়ু কিছুটা পিছিয়ে রয়েছে। তাদের কার্যাদেশের পরিমাণ ৮০ কোটি ডলার। কোম্পানিটির পুরো বছরের লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় তা ১১ দশমিক ৫ শতাংশ।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here