সমুদ্র পরিবহন খাতে নিঃসরণ কমানোর উদ্যোগে সহায়তার প্রতিশ্রুতি জি৭ মন্ত্রীদের

জাপানের সাপ্পোরো শহরে রোববার শেষ হয়েছে জি৭ দেশগুলোর জ্বালানি ও পরিবেশবিষয়ক মন্ত্রীদের দুই দিনব্যাপী বৈঠক। এতে গভীর সমুদ্র বায়ুবিদ্যুৎ উৎপাদন ও শিপিং খাতে পরিচ্ছন্ন জ্বালানির ব্যবহার আরও বাড়ানোর ওপর জোর দেওয়া হয়েছে।

বৈঠকের ফলাফল নিয়ে ৩৬ পৃষ্ঠার একটি বিবৃতি প্রকাশ করেছে জি৭। এতে বলা হয়েছে সবুজ রূপান্তরের পালে হাওয়া দিতে জলবায়ু ও জ্বালানিবিষয়ক যেসব পদক্ষেপ গ্রহণ করা দরকার, সেগুলো নিতে জোটটি প্রতিশ্রæতিবদ্ধ।

ইন্টারন্যাশনাল মেরিটাইম অর্গানাইজেশনের (আইএমও) মেরিটাইম এনভায়রনমেন্ট প্রটেকশন কমিটির (এমইপিসি) আসন্ন ৮০তম সেশনে ২০৩০ ও ২০৪০ সালের জন্য শিপিং খাতে গ্রিনহাউজ গ্যাস নিঃসরণ কমানোর অন্তর্বর্তীকালীন লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হবে। জি৭ মন্ত্রীরা সেই লক্ষ্যমাত্রার প্রতি সমর্থন জানানোর প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেছেন।

জি৭ দেশগুলো হলো কানাডা, ফ্রান্স, জার্মানি, ইতালি, জাপান, যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ)। বৈশ্বিক অর্থনীতির প্রায় ৪০ শতাংশ, বৈশ্বিক জ্বালানি চাহিদার ৩০ শতাংশ ও বিদ্যুৎ উৎপাদন প্রক্রিয়ায় মোট কার্বন ডাইঅক্সাইড নিঃসরণের ২৫ শতাংশে হিস্যা রয়েছে এই জোটের। এ কারণে বিদ্যুৎ উৎপাদন, সমুদ্র পরিবহনের মতো কার্বন-নিবিড় শিল্পখাতগুলোয় নিঃসরণ কমানোর ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ ফোরাম হিসেবে দেখা হয় জি৭-কে।

১৫-১৬ এপ্রিল অনুষ্ঠিত বৈঠকে মন্ত্রীরা নবায়নযোগ্য জ্বালানি ব্যবহারের পরিসর ও রূপান্তরের গতি বাড়ানোর গুরুত্ব পুনর্ব্যক্ত করেছেন। নবায়নযোগ্য শক্তি উৎপাদনের সক্ষমতা বাড়ানোর ক্ষেত্রে এরই মধ্যে বড় অগ্রগতির পথে রয়েছে জি৭। ২০৩০ সাল নাগাদ সম্মিলিতভাবে ১৫০ গিগাওয়াট বিদ্যুৎ অফশোর খাত থেকে উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা রয়েছে তাদের।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here