জ্বালানি পাচারের অভিযোগে আরেকটি বিদেশী জাহাজকে আটক করেছে ইরানের ইসলামিক রেভোলিউশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি)। তবে জাহাজটি কোন দেশের পতাকা বহন করছিল, এর নাম কি, মালিক কে বা ক্রুরা কোন দেশের নাগরিক-সে বিষয়ে কোনো তথ্য দেয়নি ইরানি কর্তৃপক্ষ।
আটকের সময়ে জাহাজটিতে প্রায় ৪ লাখ গ্যালন ডিজেল ছিল বলে আইআরজিসির একজন প্রতিনিধি জানিয়েছেন। পারস্য উপসাগরীয় কোনো দেশে এই জ্বালানি পাচার করা হচ্ছিল বলে বাহিনীটির পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে।
জাহাজটিকে জব্দ করে এতে থাকা জ্বালানি রাষ্ট্রায়ত্ত তেল কোম্পানি বুশেহরের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। এছাড়া জাহাজ থেকে ১০ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন বুশেহর প্রদেশের প্রধান বিচারপতি মেহেদি মেহরাঙ্গিজ।
ইরানের জন্য জ্বালানি চোরাচালান বড় একটি মাথাব্যাথার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। দেশটিতে জ্বালানি তেলে বিপুল ভর্তুকি দেওয়া হয়। ফলে সেখান থেকে কম মূল্যে তেল কিনে অন্য দেশে চড়া দামে বিক্রি করা চোরাকারবারিদের জন্য বেশ লাভজনক। এছাড়া গত চার বছরে ইরানি রিয়ালের বৈদেশিক বিনিময় মূল্যে পতন এই লাভের পরিমাণ আরও বাড়িয়েছে।
সাম্প্রতিক সময়ে ইরানি কর্তৃপক্ষ জ্বালানি চোরাচালান ঠেকাতে খড়গহস্ত হয়েছে। গত ডিসেম্বরে আইআরজিসি ৯০ হাজার গ্যালন ডিজেলসহ একটি জাহাজ আটক করে। তার আগে অক্টোবরে ৩০ লাখ গ্যালন জ্বালানির বড় আরেকটি চালান আটক করে বাহিনীটি।