মুনাফায় ধস দেখার পর ব্যয় সংকোচনের পথে হাঁটছে এইচএমএম

ওশান ফ্রেইট মার্কেটের চাঙ্গাভাব এখন আর নেই। বরং সমুদ্রপথে পণ্য পরিবহনের ভাড়া এখন পড়তির দিকে। এদিকে আবার চলতি বছরের প্রথম প্রান্তিকে (জানুয়ারি-মার্চ) ৯০ শতাংশ কমেছে মুনাফা। পরিস্থিতি বেগতিক দেখে বাধ্য হয়েই ব্যয় সংকোচন নীতি গ্রহণ করেছে দক্ষিণ কোরীয় কনটেইনার লাইনার এইচএমএম।

করোনা মহামারির মন্দা কাটিয়ে ভোক্তাবাজারে যে ঊর্ধ্বগতি দেখা গিয়েছিল, তা শেষ হয়েছে গত বছর। চাহিদা কমার ফলশ্রুতিতে পণ্য পরিবহনের চাপ ও ফ্রেইট রেট দুটোই কমেছে। ইস্ট-ওয়েস্ট ট্রেড লেনেও এর ব্যতিক্রম নয়। আর এই রুটেই ব্যবসা বেশি এইচএমএমের। স্বাভাবিকভাবেই প্রথম প্রান্তিকে কোম্পানিটির আয় ও মুনাফা দুটোই কমেছে।

আলোচ্য সময়ে এইচএমএমের আয় বছরওয়ারি কমেছে ৫৮ শতাংশ। আর মুনাফা কমেছে আরও বেশি-৯০ শতাংশ। বছরওয়ারি হিসাব বাদ দিলে অবশ্য প্রথম প্রান্তিকে তাদের মুনাফার পরিমাণকে গ্রহণযোগ্যই বলা যায়। এ সময়ে কোম্পানিটির মুনাফা হয়েছে ২৩ কোটি ডলার। তবে ২০২২ সালের প্রথম তিন মাসের ২৪০ কোটি ডলার মুনাফার তুলনায় তা অনেক কম।

এইচএমএম বলছে, জ্বালানি ও কাঁচামালের ব্যয় বেড়ে যাওয়ার কারণে ভোক্তামূল্যও বেড়ে গেছে। আর এর ফলশ্রুতিতে ভোক্তাব্যয়ে মন্দাভাব তৈরি হয়েছে। এই মন্দা আরও বেশ কিছু সময় চলবে। কোম্পানিটির মতে, বৈশ্বিক অর্থনীতির নিম্নমুখী প্রবণতা অব্যাহত থাকবে এবং ভোক্তাদের আস্থাসূচকে নিকট ভবিষ্যতে উন্নতি দেখার সম্ভাবনা কম। এই অবস্থার প্রতিযোগিতামূলক বাজারে টিকে থাকার লক্ষ্যে বেশ কয়েকটি খাতে ব্যয় সংকোচন ও পরিচালন কার্যদক্ষতা বাড়ানোর পরিকল্পনা করছে এইচএমএম।

উল্লেখ্য, এর আগে এইচএমএমের প্রতিদ্বন্দ্বী মায়েরস্কও ব্যয় ব্যবস্থাপনায় একই ধরনের ব্যবস্থা গ্রহণের ঘোষণা দিয়েছে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here