বন্দরগুলোয় শোর পাওয়ার সিস্টেম স্থাপনে অর্থ দেবে ডাচ সরকার

নেদারল্যান্ডসের বন্দরগুলোয় শোর পাওয়ার প্রযুক্তির সর্বাত্মক ব্যবহার চালু করতে আর্থিক সহায়তা প্রদানের প্রতিশ্রæতি দিয়েছে দেশটির সরকার। শোর পাওয়ার ব্যবহার নিয়ে ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) পরিকল্পনা বাস্তবায়ন ও নিজেদের বন্দরগুলোর পারিপার্শ্বিক পরিবেশের উন্নয়নে নেদারল্যান্ডসের লক্ষ্যমাত্রা বাস্তবায়নে এই বিনিয়োগ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

নেদারল্যান্ডসের অবকাঠামো মন্ত্রণালয় দেশটির বন্দরগুলোয় শোর পাওয়ার সিস্টেম স্থাপনে আগামী কয়েক বছরে ১৫ কোটি ডলার বিনিয়োগের পরিকল্পনা করছে। আর এই পরিকল্পনা বাস্তবায়নে তারা কনসাল্টিং গ্রæপ বিওজেডের সঙ্গে সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্ব (পিপিপি) তৈরি করেছে। এছাড়া দেশটির জলবায়ু তহবিল থেকে আরও ৪ কোটি ৩০ লাখ ডলার সরবরাহ করা হবে।

অল্টারনেটিভ ফুয়েলস ইনফ্রাস্ট্রাকচার রেগুলেশনসের (এএফআইআর) অধীনে ২০৩০ সাল নাগাদ পাঁচ হাজার গ্রস টনের বড় জাহাজগুলোকে শোর পাওয়ার সরবরাহের ব্যবস্থা করতে হবে ইইউর বন্দরগুলোকে। কনটেইনার জাহাজ, প্রমোদতরী, প্যাসেঞ্জার শিপ, কম্বাইন্ড প্যাসেঞ্জার অ্যান্ড কার্গো শিপ-সব ধরনের জাহাজই এই নিয়মের আওতায় আসবে। নেদারল্যান্ডসের সরকারি কর্মকর্তারা মনে করছেন, ইইউর এএফআইআর প্রতিপালন করতে হলে এসব বৃহদাকার জাহাজ ডকে থাকা অবস্থায় সেগুলোকে বিপুল পরিমাণ বিদ্যুৎ সরবরাহ করতে হবে।

বিওজেডের হিসাব অনুযায়ী, এএফআইআর বাস্তবায়নে ইইউর বন্দরগুলোকে তাদের শোর পাওয়ার ক্যাপাসিটি প্রায় ২৭০ মেগাওয়াটে উন্নীত করতে হবে। আর এর জন্য প্রায় ৩২ কোটি ৫০ লাখ ডলারের বিনিয়োগ প্রয়োজন হবে বলে ধারণা তাদের।

সরকারের ঘোষণা অনুযায়ী, নেদারল্যান্ডসের পাঁচটি বড় বন্দরে শোর পাওয়ার সিস্টেম স্থাপনে তহবিল সরবরাহ করা হবে। এগুলো হলো রটারডাম, আমস্টারডাম, গ্রোনিনজেন, মোয়েরডিজক ও নর্থ সি পোর্ট। ইইউর এএফআইআর কর্মসূচির অধীনস্ত জাহাজগুলোর পাশাপাশি অন্যান্য জাহাজে শোর পাওয়ার সরবরাহ প্রকল্পও ভর্তুকির আওতায় আসবে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here