সাগরে পাইপলাইনের মাধ্যমে তেল খালাসে সহায়তা দিচ্ছে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ

সিঙ্গেল পয়েন্ট মুরিংয়ের প্রতিকী ছবি। ছবি ইন্টারনেট থেকে সংগৃহিত

সাগরে তেলবাহী বড় ট্যাংকার থেকে পাইপলাইনের মাধ্যমে জ্বালানি তেল খালাসে তেলবাহী ট্যাংকার ভেড়ানো এবং টাগবোটসহ সকল সহায়তা দিচ্ছে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ। রবিবার পরীক্ষামূলকভাবে তেল খালাসের কথা থাকলেও দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার কারণে তা সম্ভব হয়নি। আবহাওয়া স্বাভাবিক হলে তা আবার তেল খালাসের কার্যক্রম শুরু হবে বলে জানিয়েছে ইস্টার্ণ রিফাইনারী।

বঙ্গোপসাগরে বড় ট্যাংকার থেকে পাইপলাইনের মাধ্যমে তেল খালাসের প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করছে সরকারি তেল শোধনাগার প্রতিষ্ঠান ইস্টার্ন রিফাইনারি। এই প্রকল্পের আওতায় সাগরে মুরিং বসানো হয়েছে।

পরীক্ষামূলকভাবে জ্বালানি তেল খালাসের কার্যক্রম দেখতে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রিয়ার এডমিরাল মোহাম্মদ সোহায়েল মুরিংয়ের উদ্দেশ্যে রওয়ানা দিলেও দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার কারণে সাগর উত্তাল থাকায় মাঝপথ থেকে ফিরে আসেন।

কর্ণফুলী চ্যানেলের সীমাবদ্ধতার কারণে তেল খালাসের বিশেষায়িত জেটিতে বড় ট্যাংকার ভিড়তে পারে না। তাতে জ্বালানি তেল নিয়ে আসা বড় ট্যাংকারগুলো প্রথমে সাগরে নোঙর করে রাখা হয়। পরে ছোট ট্যাংকারের মাধ্যমে তেল স্থানান্তর করে জেটিতে এনে পাইপের মাধ্যমে তেল খালাস করা হয়। এতে এক লাখ টন তেলবাহী একটি ট্যাংকার থেকে তেল খালাসে ১০ থেকে ১১ দিন সময় লাগে। সময় সাশ্রয়ে ২০১৫ সালে সিঙ্গেল পয়েন্ট মুরিং প্রকল্প বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়। বাংলাদেশ ও চীন সরকারের মধ্যে জিটুজি ভিত্তিতে প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। প্রকল্পে ব্যয় হয়েছে ৭ হাজার ১২৫ কোটি টাকা।

প্রকল্পের আওতায় ১১০ কিলোমিটার লম্বা দুটি পাইপলাইন বসানো হয়েছে। একটি পাইপলাইন দিয়ে অপরিশোধিত জ্বালানি তেল এবং আরেকটি পাইপলাইন দিয়ে পরিশোধিত ডিজেল খালাস হবে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here