বেইজিং কনভেনশনে ১৫ দেশের স্বাক্ষর

জাহাজের জুডিশিয়াল সেল

ইউনাইটেড নেশনস কনভেনশন অন দ্য ইন্টারন্যাশনাল ইফেক্টস অব জুডিশিয়াল সেলস অব শিপসে (যেটি বেইজিং কনভেনশন অন দ্য জুডিশিয়াল সেল অব শিপস হিসেবেও পরিচিত) স্বাক্ষর করেছে ১৫টি দেশ। মঙ্গলবার (৫ সেপ্টেম্বর) চীনের বেইজিংয়ে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে কনভেনশনটিতে স্বাক্ষর করে চীন, বুরকিনো ফাসো, কমোরোস, এল সালভাদর, গ্রেনাডা, হন্ডুরাস, কিরিবাতি, লাইবেরিয়া, সাও তোমে অ্যান্ড প্রিন্সিপি, সৌদি আরব, সেনেগাল, সিয়েরা লিওন, সিঙ্গাপুর, সুইজারল্যান্ড ও সিরিয়া।

সাধারণত কোনো জাহাজ বা জাহাজমালিকের বিরুদ্ধে কোনো ধরনের ক্ষতিপূরণ দাবি থাকলে যে দেশে ঘটনা ঘটবে, সেই দেশের আদালত সেটি নিষ্পত্তি করার ক্ষমতা রাখেন। এক্ষেত্রে যদি জাহাজটি বিক্রি করে ক্ষতিপূরণ দেওয়া লাগে, তাহলে সেই আদেশ দেওয়ার ক্ষমতাও রয়েছে কেবল আদালতের। একে বলা হয় জাহাজের জুডিশিয়াল সেল।

একটি জাহাজের জুডিশিয়াল সেলের ঠিক আগের পর্যায় হলো সেটিকে আটক করা। এই আটকের ক্ষেত্রে দেশভেদে বিদ্যমান বিভিন্ন আইনের মধ্যে সমন্বয় স্থাপনে অনেকটা অগ্রগতি অর্জন করলেও জুডিশিয়াল সেলের ক্ষেত্রে আইনগত সম্প্রীতি অর্জনে ব্যর্থ হয়েছে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়। ফলে অঞ্চল ও দেশভেদে এ-সংক্রান্ত আইনগত ভিন্নতা নিয়েই চলছিল অ্যাডমিরালটি ল’। বেইজিং কনভেনশন সেই ভিন্নতা দূর করে জাহাজের জুডিশিয়াল সেলের ক্ষেত্রে আইনগত নিশ্চয়তার সুযোগ তৈরি করবে।

গত বছরের ৭ ডিসেম্বর বেইজিং কনভেনশন গ্রহণ করে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ। এর খসড়া তৈরি করেছে অ্যান্টওয়ার্পভিত্তিক অলাভজনক আন্তর্জাতিক সংস্থা কমিটি মেরিটাইম ইন্টারন্যাশনাল (সিএমআই)। গত বছরের জুনে এই খসড়া তৈরির কাজটি শেষ হয়। ১৫টি দেশ স্বাক্ষর করলেও এটি এখনই কার্যকর হচ্ছে না। কনভেনশনে স্বাক্ষরকারী অন্তত তিনটি দেশ অনুমোদন দিলে তবেই কার্যকর হবে বেইজিং কনভেনশন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here