২০৩০ সাল নাগাদ সমুদ্র পরিবহন খাতে বার্ষিক ১ কোটি ৭০ লাখ টন তেলের সমপরিমাণ পরিবেশবান্ধব জ্বালানির চাহিদা তৈরি হবে, যা হবে বিশ্বজুড়ে মোট পরিচ্ছন্ন জ্বালানি চাহিদার ৩০-৪০ শতাংশ। ক্লাসিফিকেশন সোসাইটি ডিএনভির সাম্প্রতিক প্রতিবেদন ‘মেরিটাইম ফোরকাস্ট টু ২০৫০’-তে এ কথা বলা হয়েছে।
ডিএনভি বলছে, কার্বনমুক্ত জ্বালানি প্রাপ্যতায় আকাশ ও সড়ক পরিবহনসহ আরও কিছু খাতের সঙ্গে প্রতিযোগিতায় নামতে হবে সমুদ্র পরিবহন খাতকে। এ অবস্থায় খাতটিতে নিঃসরণ কমানোর যে লক্ষ্যমাত্রা গ্রহণ করেছে ইন্টারন্যাশনাল মেরিটাইম অর্গানাইজেশন (আইএমও), তা পূরণ করতে হলে সবুজ জ্বালানির উৎপাদন উল্লেখযোগ্য পরিমাণে বাড়াতে হবে।
নিঃসরণ কমানোর পথে পরিচ্ছন্ন জ্বালানি প্রাপ্যতার এই যে প্রতিবন্ধকতা, তা দূর করতে জাহাজ পরিচালনায় জ্বালানি কার্যক্ষমতা বৃদ্ধির উদ্যোগ নেওয়া যেতে পারে বলে মনে করছে ডিএনভি। এয়ার লুব্রিকেশন সিস্টেম ও উইন্ড অ্যাসিস্টেড প্রপালশনের মতো প্রযুক্তি এক্ষেত্রে সহায়ক ভূমিকা রাখতে পারে। এরই মধ্যে ২৮টি বড় জাহাজে বাতাসের শক্তি কাজে লাগানো যায় এমন প্রপালশন ব্যবস্থা স্থাপন করা হয়েছে। এতে এখন পর্যন্ত ৫-৯ শতাংশ জ্বালানি সাশ্রয়ের প্রমাণ মিলেছে। জাহাজগুলোয় এই প্রযুক্তির সর্বব্যাপী ব্যবহার নিশ্চিত করা গেলে জ্বালানি সাশ্রয়ের হার ২৫ শতাংশে নিয়ে যাওয়া সম্ভব বলে ধারণা করা হচ্ছে।