বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলে গড়ে ওঠা অফশোর বায়ুবিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলোয় কর্মী নিয়োগে রীতিমতো চাঙ্গাভাব দেখা দিচ্ছে। পরামর্শক প্রতিষ্ঠান রিস্টাড এনার্জি তাদের নতুন এক প্রাক্কলনে এ তথ্য দিয়েছে।
রিস্টাডের পূর্বাভাস বলছে, ২০৩০ সাল নাগাদ অফশোর বায়ুবিদ্যুৎ কর্মীর সংখ্যা বেড়ে তিন গুণ হবে। অর্থাৎ ২০২৫ নাগাদ এ শিল্পে পূর্ণকালীন কর্মীর সংখ্যা দাঁড়াবে ৫ লাখ ৯০ হাজার আর ২০৩০ সালে তা হবে ৮ লাখ ৭০ হাজার। বর্তমানে এ শিল্পে কর্মীর সংখ্যা ৩ লাখ।
কর্মী নিয়োগ বৃদ্ধির কারণ হিসেবে রিস্টাডের প্রাক্কলনে বলা হয়েছে, অফশোর বায়ুবিদ্যুৎ সক্ষমতার স্থাপিত বেজ আগামী ১০ বছরে নাটকীয়ভাবে বৃদ্ধি পাবে বলে বায়ুবিদ্যুৎ শিল্পসংশ্লিষ্টরা আশা করছেন। সংস্থাটির নতুন প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২৫ সাল নাগাদ তা দাঁড়াবে ১১০ গিগাওয়াট আর ২০৩০ সাল শেষে গিয়ে ঠেকবে ২৫০ গিগাওয়াটে। নজিরবিহীন এ সম্প্রসারণ কাজের জন্য এ খাতে হাজার হাজার দক্ষ কর্মীর প্রয়োজন হবে।
নিয়োজিত কর্মীদের অধিকাংশই কাজ করবে নির্মাণ ও উন্নয়ন খাতে। বায়ুবিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণসংশ্লিষ্ট পদ ২০২৫ সাল নাগাদ দাঁড়াবে মোট পদের ৮৮ শতাংশে আর ২০৩০ শেষে তা হবে ৮০ শতাংশ। কমিশনিংয়ের আগ পর্যন্ত একটি বায়ুবিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণের মূলধনি ব্যয়ের বড় অংশটি প্রয়োজন হয় এক থেকে তিন বছরের মধ্যে। বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপনের এ পর্বটিই সবচেয়ে শ্রমনির্ভর।
পরামর্শক প্রতিষ্ঠান ডিএনভির তথ্যমতে, চলতি শতকের মাঝামাঝি পর্যন্ত অফশোর বায়ুবিদ্যুৎ কেন্দ্র্র নির্মাণে তেজিভাব অব্যাহত থাকবে। ফলে নির্মাণসংশ্লিষ্ট কাজের বৈশি^ক সংখ্যা আরও অনেক বছর ধরেই বাড়তে থাকবে।