মধ্যপ্রাচ্য, যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপের বাজারে ইলিশ মাছ রপ্তানির অনুমোদন চেয়ে গত আগস্ট থেকে নভেম্বর পর্যন্ত চার মাসে ২৬টি প্রতিষ্ঠান বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে আবেদন করেছে। তবে এজন্য মৎস্য অধিদপ্তরের লাইসেন্স থাকা বাধ্যতামূলক হলেও এদের মধ্যে তা আছে কেবল ১২টি প্রতিষ্ঠানের।
মৎস্য অধিদপ্তরের কর্মকর্তাদের মতে, রপ্তানির অনুমোদন শেষ পর্যন্ত দেওয়া হবে কিনা, তা এখন পুরোপুরি নির্ভর করছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের ওপর। সাধারণত দেশের সীমানা ছাড়িয়ে ইলিশ ভারত পর্যন্ত যায়। তাও পূজা-পার্বণ উপলক্ষেই ভারতে ইলিশ রপ্তানি করে বাংলাদেশ। তাও আবার পুরো ভারতে নয়, পশ্চিমবঙ্গের রাজধানী কলকাতায়। এছাড়া মধ্যপ্রাচ্যের সংযুক্ত আরব আমিরাতেও (ইউএই) কিছু ইলিশ রপ্তানি হয়।
ইলিশ কি এবার ইউরোপ, আমেরিকা ও মধ্যপ্রাচ্যের অন্য দেশগুলোতেও যাবে এমন প্রশ্নের জবাবে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা বলছেন, দেশে বছর বছর ইলিশের উৎপাদন বাড়ছে বলে সমস্যা নেই। এতে কিছু বৈদেশিক মুদ্রা আয় হবে এমন আশার কথাই বলছেন তাঁরা।
বাণিজ্য সচিব মো. জাফর উদ্দীন বলেন, ‘‘এখন পর্যন্ত কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। আবেদনগুলো অনুমোদন করা যায় কিনা, সেজন্য আমরা তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ করছি। এ ব্যাপারে মৎস্য অধিদপ্তরে চিঠিও পাঠিয়েছি।’’
মৎস্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, দেশে ২০১৪-১৫ অর্থবছরে ৩ লাখ ৮৭ হাজার টন ইলিশ ধরা পড়েছিল। ২০১৮-১৯ অর্থবছরে তা বেড়ে হয়েছে ৫ লাখ ৩৩ হাজার টন।