২০ শতাংশ মূল্য সংযোজন করে ভারতে ভোজ্যতেল রপ্তানি করতে পারে বাংলাদেশ, এ বিষয়ে মত প্রকাশ করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার বিক্রম কুমার দোরাইস্বামী। পাশাপাশি বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশনের (বিএসটিআই) সনদ ভারতে গ্রহণযোগ্য করার ব্যাপারেও ইতিবাচক বিবেচনা করা হচ্ছে বলেও জানান হাইকমিশনার। ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (ডিসিসিআই) সভাপতি রিজওয়ান রহমানের সাথে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য আলোচনা ও সৌজন্য সাক্ষাৎকালে এ কথা বলেন তিনি। তিনি বলেন, দিল্লি এবং চট্টগ্রাম বন্দরের মধ্যে পরিবহন ও সময়ের ব্যয় খুব বেশি। রপ্তানি ও আমদানি প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত করতে বাংলাদেশের সকল স্থলবন্দরগুলোতে অবকাঠামোগত এবং প্রযুক্তিগত সুযোগ-সুবিধার উন্নয়ন আবশ্যক বলে মন্তব্য করেন দোরাইস্বামী।
তিনি বলেন, পণ্য পরিবহনে দীর্ঘসূত্রতার ফলে ব্যবসা পরিচালন ব্যয় বৃদ্ধি পাচ্ছে। এছাড়া ব্যয়সাশ্রয়ী হওয়ায় বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যকার পণ্য আমদানি-রপ্তানিতে রেলপথের ব্যবহার বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেন তিনি। এ লক্ষ্যে সিরাজগঞ্জে রেলওয়ের একটি কনটেইনার ডিপো স্থাপনেরও প্রস্তাব করেন ভারতীয় হাইকমিশনার।