২০২০ সালে যুক্তরাষ্ট্রের সমুদ্র অর্থনীতি দেশটির জিডিপিতে যোগ করেছে ৩৬ হাজার ১০০ কোটি ডলার। মার্কিন বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অধীনস্ত দুটি সংস্থা ন্যাশনাল ওশানিক অ্যান্ড অ্যাটমসফারিক অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (এনওএএ) এবং ব্যুরো অব ইকোনমিক অ্যানালাইসিস (বিইএ) কর্তৃক সম্প্রতি প্রকাশিত ‘মেরিন ইকোনমি স্যাটেলাইট অ্যাকাউন্ট’ শীর্ষক বার্ষিক প্রতিবেদনে এই তথ্য উঠে এসেছে।
সমুদ্র অর্থনীতির অবদানের এই পরিসংখ্যান নভেল করোনাভাইরাস হানা দেওয়ার প্রথম বছরের। মূল্যস্ফীতি সমন্বয়ের পর ২০১৯ সালের তুলনায় তা ৫ দশমিক ৮ শতাংশ বা ২ হাজার ৩০০ কোটি ডলার কম। সেই বছরের তুলনায় ২০২০ সালে যুক্তরাষ্ট্রের জিডিপি কমেছিল ৩ দশমিক ৪ শতাংশ।
হোয়াইট হাউজের অফিস অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি পলিসির জলবায়ু ও পরিবেশবিষয়ক উপ-পরিচালক জেন লুবশেঙ্কো বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় অর্থনীতিকে সুসংহত করার ক্ষেত্রে সমুদ্র অর্থনীতির ভূমিকা ও অপরিসীম সম্ভাবনার কথা বিবেচনা করে প্রেসিডেন্ট বাইডেন অবকাঠামো তহবিলের ব্যবস্থা করেছেন। সমুদ্র অর্থনীতির সুস্বাস্থ্য নির্ভর করছে সমুদ্রের সুস্বাস্থ্যের ওপর। প্রেসিডেন্ট বাইডেন আমাদের নির্দেশ দিয়েছেন জলবায়ু সংকট মোকাবিলা, সমুদ্রের স্বাভাবিকতা রক্ষা ও উপক’লীয় জনগোষ্ঠীর সুরক্ষায় কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য।’
এনওএএ এবং বিইএর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সমুদ্র, উপকূল ও গ্রেট লেকভিত্তিক ব্যবসায়িক কার্যক্রমের ওপর নির্ভর করে যুক্তরাষ্ট্রের ১০টি শিল্পখাত। এগুলো হলো- উপকূলীয় পর্যটন, জাতীয় নিরাপত্তা ও জনপ্রশাসন, গভীর সমুদ্র খনিজ সম্পদ, নৌ-পরিবহন, মৎস্য ও অন্যান্য সামুদ্রিক জৈব পণ্য, জাহাজনির্মাণ, উপকূলীয় পরিসেবা, গবেষণা ও শিক্ষা, নৌ অবকাঠামো নির্মাণ এবং প্রফেশনাল ও টেকনিক্যাল সার্ভিস। ২০২০ সালে এসব ব্যবসা খাতে মোট ২২ লাখ মানুষের কর্মসংস্থান হয়েছে।