২০৫০ নাগাদ গ্রিন পাওয়ার আকৃষ্ট করবে ১১ ট্রিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ

নবায়নযোগ্য শক্তির উৎপাদন ব্যয় কমার কারণে পরিবেশবান্ধব শক্তিতে আগামী দশকগুলোয় বিনিয়োগ ১১ ট্রিলিয়ন ডলারে উন্নীত হবে। ব্লুমবার্গএনইএফ (বিএনইএফ) তাদের বার্ষিক ‘নিউ এনার্জি আউটলুক’ প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে। আগামীর জ্বালানি মিশ্রণে জীবাশ্ম জ্বালানিকে সস্তা নবায়নযোগ্য জ্বালানি কীভাবে হটিয়ে দেবে তারই ইঙ্গিত মিলেছে এ প্রতিবেদনে।

বিশাল অংকের এ বিনিয়োগ পূর্বাভাস সত্ত্বেও বিএনইএফ তাদের প্রতিবেদনে বলেছে, চলতি শতক শেষে বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধি দুই ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে রাখতে নতুন নবায়নযোগ্য শক্তি উৎপাদনের গতি আরো বাড়ানোর প্রয়োজন হবে। নবায়নযোগ্য শক্তি এবং ব্যাটারি প্রযুক্তিতে বিনিয়োগ বৃদ্ধিতে গ্রিনহাউস গ্যাস নিঃসরণ সর্বোচ্চে পৌঁছাবে ২০২৭ সালে। আর পরের বছরগুলো থেকে ২০৫০ সাল পর্যন্ত নিঃসরণ হার বছরে শূন্য দশমিক ৭ শতাংশ হারে কমতে থাকবে। আর এ সময়ের মধ্যে বৈশ্বিক বিদ্যুতে সৌর ও বায়ুবিদ্যুতের অবদান দাঁড়াবে ৫৬ শতাংশ।

বিএনইএফের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা জন মুর নতুন প্রতিবেদন প্রসঙ্গে বলেন, ‘জ্বালানি রূপান্তরের ক্ষেত্রে আগামী ১০ বছর খুবই গুরুত্বপূর্ণ। সৌর ও বায়ুবিদ্যুৎ উৎপাদনে গতিবৃদ্ধি, ইলেকট্রিক ভেহিকলে ভোক্তাদের আগ্রহ এক্ষেত্রে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু।’

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আসন্ন বছরগুলোয় জীবাশ্ম জ্বালানিগুলোর মধ্যে কেবল গ্যাসেরই চাহিদা বাড়বে। ভারী শিল্পের পাশাপাশি ভবন উষ্ণ রাখতে এর ব্যবহার বাড়বে। এছাড়া ইলেকট্রিক ভেহিকলের চাহিদার ভিত্তিতে নির্ধারিত হবে তেলের চাহিদার ভাগ্য। ২০৩৫ সালে তেলের চাহিদা সর্বোচ্চে পৌঁছবে এবং তার পর থেকে ধীরে ধীরে কমতে থাকবে। ২০৫০ নাগাদ প্যাসেঞ্জার-ভেহিকল কিলোমিটারের ৬৫ শতাংশ ইলেকট্রিক ভেহিকলের মাধ্যমে পূরণ হবে। ইলেকট্রিক ভেহিকলের বিদ্যমান বহর দিনে ১০ লাখ ব্যারেল তেলের চাহিদা হ্রাস করছে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here