পণ্য আমদানিতে নগদ জমার পরিমাণ বাড়ানোয় স্ক্র্যাপ জাহাজ আমদানি কমেছে। প্রতিমাসে যেখানে ২০ থেকে ২৫টি স্ক্র্যাপ জাহাজ আমদানি করা হতো, এখন সেখানে গত দুই মাসে স্ক্র্যাপ জাহাজ আমদানি হয়েছে মাত্র ১৭টি।
বাংলাদেশ শিপ ব্রেকার্স অ্যান্ড রিসাইকেলার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিএসবিআরএ) স্ক্র্যাপ জাহাজ আমদানির পরিসংখ্যানে দেখা যায়, গত আগস্টে স্ক্র্যাপ জাহাজ আমদানি করা হয়েছে মাত্র নয়টি, যার সম্মিলিত ওজন ছিল ৪৮ হাজার ১০০ টন। অন্যদিকে গত জুলাই মাসে ৮টি স্ক্র্যাপ জাহাজ আমদানি করা হলেও তার ওজন ছিল ৫৬ হাজার ৮৪ টন। অর্থাৎ আগস্টে জাহাজ আমদানি একটি জাহাজ বাড়লেও জুলাইয়ের তুলনায় কম ওজনের স্ক্র্যাপ জাহাজ আমদানি করা হয়েছে।
সার্বিকভাবে ২০২১ সালের প্রথম আট মাসে ১৯ লাখ ৩৭ হাজার ৫০৭ টনের ২০০টি জাহাজ আমদানি করা হয়, সেখানে চলতি বছরের আট মাসে ৮ লাখ ৭ হাজার ৩১৫ টনের ১০২টি জাহাজ আমদানি করা হয়েছে। অর্থাৎ বছরের ব্যবধানে আমদানি কমেছে অর্ধেকেরও অনেক কম ওজনের স্ক্র্যাপ জাহাজ।
ইনভেস্ট ডটকমের তথ্যমতে, গতকাল ৯ সেপ্টেম্বর আন্তর্জাতিক বাজারে টনপ্রতি স্ক্র্যাপ বিক্রি হয় ৩৬৮ ডলার। ৮ সেপ্টেম্বর বিক্রি হয় ৩৬৫ ডলারে। অথচ এক মাস আগে ১১ আগস্টও স্ক্র্যাপ বিক্রি হয় ৩৯৪ দশমিক ৫০ ডলারে। এদিকে দেশের বাজারে টনপ্রতি স্ক্র্যাপ বিক্রি হচ্ছে ৬০-৬৫ হাজার টাকায়। একদিকে আন্তর্জাতিক বাজারে স্ক্র্যাপের দাম কমে যাওয়া, অন্যদিকে বাংলাদেশে স্ক্র্যাপ জাহাজ আমদানি কমে যাওয়ায় দেশের বাজারের চাহিদা থাকলেও চাহিদামতো স্ক্র্যাপ সরবরাহ করতে পারছে না ইয়ার্ডগুলো।