যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল ওশানিক অ্যান্ড অ্যাটমোসফারিক অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (এনওএএ) ফিশারিজ সম্প্রতি আন্তর্জাতিক মৎস্য ব্যবস্থাপনা নিয়ে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। দ্বিবার্ষিক এই প্রতিবেদনে অবৈধ, অগোচরীভূত ও অনিয়ন্ত্রিত (আইইউইউ) মৎস্য আহরণ ও বাইক্যাচের (অনিচ্ছাকৃত আহরণ) জন্য কয়েকটি দেশকে দায়ী করা হয়েছে। এবারই প্রথম প্রতিবেদনে আইইউইউ মৎস্য আহরণের সংজ্ঞায় জোরপূর্বক শ্রম ও হাঙ্গর শিকারকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রের হাই সিজ ড্রিফটনেট ফিশিং মোরাটোরিয়াম প্রটেকশন অ্যাক্টের অধীনে মার্কিন কংগ্রেসের একটি আদেশের পরিপ্রেক্ষিত্রে দ্বিবার্ষিক প্রতিবেদনটি প্রকাশ করে এনওএএ। যেসব দেশে অবৈধ মৎস্য আহরণ হয়, সেসব দেশকে এই ধরনের কার্যক্রম প্রতিরোধে যুক্তরাষ্ট্রের সহায়তা পাওয়ার ক্ষেত্রে বড় ভূমিকা রাখে এই প্রতিবেদন।
এবারের প্রতিবেদনে সাতটি দেশে আইইউইউ মৎস্য আহরণ হয় বলে শনাক্ত করা হয়েছে। দেশগুলো হলো অ্যাঙ্গোলা, গ্রেনাডা, মেক্সিকো, চীন, তাইওয়ান, গাম্বিয়া ও ভানুয়াতু। এছাড়া চীন ও ভানুয়াতু এই দুটি দেশে অনিয়ন্ত্রিতভাবে হাঙ্গর শিকার করা হয় বলে প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে। এতে আরও বলা হয়েছে, চীন ও তাইওয়ানে সিফুড পণ্য উৎপাদনে জোরপূর্বক শ্রম আদায় করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এনওএএ বলেছে, অবৈধ আহরণ বন্ধ ও মৎস্য সম্পদের সুরক্ষায় এসব দেশের তেমন কোনো নিয়ন্ত্রণমূলক কার্যক্রম চালু নেই।
২০২১ সালের প্রতিবেদনে কোস্টারিকা, গায়ানা, সেনেগাল, তাইওয়ান, মেক্সিকো, চীন ও রাশিয়ায় আইইউইউ মৎস্য আহরণ কার্যক্রম হয় বলে শনাক্ত করা হয়েছিল। এবারের প্রতিবেদনে কোস্টারিকা, গায়ানা, সেনেগাল ও তাইওয়ান এনওএএর পজিটিভ সার্টিফিকেশন পেয়েছে। তবে নেগেটিভ সার্টিফিকেশন পেয়েছে মেক্সিকো, চীন ও রাশিয়া।