বৈশ্বিক সমুদ্র শিল্পের প্রায় ৩০ হাজার শীর্ষ প্রতিনিধিদের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত হলো দশম লন্ডন ইন্টারন্যাশনাল শিপিং উইক (এলআইএসডব্লিউ)। ১১-১৫ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত এই আয়োজনে শিপিং খাতে কার্বন নিঃসরণ কমানোর উদ্যোগকে গতিশীল করা এবং তহবিল সংগ্রহের মতো বিষয়গুলো বিশেষ গুরুত্ব পেয়েছে।
এবারের লন্ডন ইন্টারন্যাশনাল শিপিং উইকের প্রতিপাদ্য ছিল ‘শোকেস ফর গ্রিন শিপিং’। প্রতিপাদ্যের সঙ্গে সঙ্গতি রেখে আয়োজনটিতে পরিবেশবান্ধব সমুদ্র পরিবহন খাত বিনির্মাণে সবুজ জ্বালানির ব্যবহার বাড়ানোর ওপর জোর দেওয়া হয়েছে।
মেরিটাইম ইউকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) ক্রিস শির্লিং-রুক জানান, ডিকার্বনাইজেশন প্রক্রিয়ায় উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি দেখতে হলে শিপিং খাতসংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে একত্রে কাজ করতে হবে। কার্বন নিঃসরণ কমাতে হলে মেরিটাইম খাতকে সরকারগুলোর সঙ্গে মিলিতভাবে কাজ করতে হবে এবং সরকারগুলোকেও এই খাতের অংশীজনদের পাশে থাকতে হবে। সমুদ্র পরিবহন খাতে পরিবেশবান্ধব জ্বালানিতে রূপান্তর প্রক্রিয়ায় যুক্তরাজ্য অগ্রণী ভূমিকা রাখতে সক্ষম বলে মনে করেন তিনি।
পরিবেশবান্ধব জ্বালানি তুলনামূলক ব্যয়বহুল হওয়ায় সবুজ জ্বালানিতে রূপান্তর প্রক্রিয়া বেশ খরুচে। অধিকাংশ ভোক্তা বাড়তি এই খরচ বহন করতে রাজি। তবে কনটেইনার শিপিংয়ের ক্ষেত্রে জাহাজ মালিক ও সেবা গ্রহণকারীদের পারষ্পারিক সম্পর্কে স্বচ্ছতা না থাকায় ডিকার্বনাইজেশন প্রক্রিয়া বাধাগ্রস্ত হতে পারে। বিশ্লেষকরা বলছেন, এই প্রক্রিয়া নিরবচ্ছিন্ন করতে আইএমও ২০২০ সালফার নিয়ন্ত্রণ নীতির মতো সুনির্দিষ্ট নীতিমালা প্রয়োজন।