৩৫ শতাংশ পর্যন্ত রপ্তানি পণ্য সড়কপথে চুরি হয়ে যায়

রপ্তানির জন্য চট্টগ্রাম বন্দরে পাঠানোর পথে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের ৩০ থেকে ৩৫ শতাংশ পণ্যই চুরি হয়ে যায়। মূলত গাড়িচালক, অসাধু ক্রেতা ও সিঅ্যান্ডএফের ব্যবসা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সমন্বয়ে গড়ে ওঠা চক্রের সদস্যরাই এ চুরির পেছনে দায়ী। এমন একটি চক্রের পাঁচ সদস্যকে গ্রেফতারের ঘটনায় আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে রোববার (১৯ ডিসেম্বর) এসব তথ্য জানিয়েছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।

দুপুরে ডিএমপির মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে ডিবির অতিরিক্ত কমিশনার একেএম হাফিজ আক্তার বলেন, রপ্তানির পণ্য বন্দরে পৌঁছার আগেই একটি চক্র সেখান থেকে চুরি করে। পরে এসব চোরাই পোশাক আফ্রিকা ও নেপালের বাজারে পাঠানো হয়। পাশাপাশি দেশের বাজারেও কিছু পরিমাণ বিক্রি হয়। এ চক্রটির সঙ্গে জড়িত কিছু গাড়িচালক, অসাধু ক্রেতা ও সিঅ্যান্ডএফের ব্যবসা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।

সংবাদ সম্মেলন থেকে জানানো হয়, সাম্প্রতি তৈরি পোশাক রপ্তানির জন্য ঢাকা থেকে কাভার্ড ভ্যানে পণ্য চট্টগ্রামে পাঠাচ্ছিল অ্যাপারেলস লিমিটেড (এনভয় গ্রুপ) নামে একটি প্রতিষ্ঠান। তাদের ৫৩ হাজার পোশাক একটি কাভার্ড ভ্যানে করে চট্টগ্রাম পাঠানো হয়। কিন্তু ওই কাভার্ড ভ্যান থেকে ৬০ লাখ টাকা মূল্যের ৮ হাজার ৫৩টি মেনস জিন্স চুরি হয়ে যায়। এ ঘটনায় ডিএমপির উত্তরা পশ্চিম থানায় মামলা হয়। এ মামলা তদন্তে নেমেই এসব চক্রের বিষয় নজরে আসে। পাশাপাশি চুরির ঘটনায় জড়িত পাঁচজনকে গ্রেফতার করা হয়।

হাফিজ আক্তার বলেন, গ্রেফতারকৃতরা রপ্তানিমুখী গার্মেন্টস পণ্য ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম বন্দরে নিয়ে যাওয়ার পথে কৌশলে কাভার্ড ভ্যানের কার্টন থেকে চুরি করে। এরপর তারা কার্টনগুলো হুবহু আগের অবস্থায় রাখে ও গাড়ির চালক গাড়িটি নির্ধারিত স্থানে পৌঁছে দেয়। এ সংঘবদ্ধ চোর চক্র একাধিক রপ্তানিমুখী গার্মেন্টস পণ্যবাহী কাভার্ড ভ্যান থেকে ড্রাইভার ও গাড়ির মালিকের যোগসাজসে কৌশলে কার্টুন থেকে পণ্য চুরি করে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here