Home Blog Page 256

সমুদ্রে প্লাস্টিক দূষণ পরিচ্ছন্নে মায়েস্কের অংশীদারিত্ব

বিশ্বের বিস্তীর্ণ সমুদ্রগুলোকে প্লাস্টিকের দূষণ থেকে রক্ষা করতে মায়েস্কে এবং ডাচ অলাভজনক সংস্থা দ্য ওশান ক্লিনআপ জোটবদ্ধ হয়েছে। ২০১৩ সালে প্রতিষ্ঠিত ওশান ক্লিনআপের লক্ষ্য হচ্ছে, সমুদ্র থেকে প্লাস্টিকের দূষণ পরিচ্ছন্নে উন্নত প্রযুক্তির উন্নয়ন ও নদীবাহিত প্লাস্টিকের প্রবাহ রোধ করা।

কয়েক বছর ধরে ওশান ক্লিনআপ সমুদ্রে ভেসে থাকা প্লাস্টিকের স্তূপ সরিয়ে ফেলতে বড় আকারে প্রযুক্তি নিয়োজনের পদ্ধতি উন্নয়নে কাজ করছে। ২০১৮ সালে এ উদ্যোগে সহায়তা করতে যুক্ত হয় মায়েস্কের সাপ্লাই সার্ভিস। ওই বছর যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়া উপকূল থেকে ১ হাজার ২০০ মাইল দূরে সমুদ্রে ভেসে থাকা সবচেয়ে বড় প্লাস্টিকের স্তূপ সরিয়ে ফেলতে জাহাজ মোতায়েন করে ওশান ক্লিনআপ, যা গ্রেট প্যাসিফিক গার্বেজ প্যাচ নামে পরিচিত।

বাল্টিক ড্রাই ইনডেক্স বেড়েছে ১০%

চীনে কয়লার চাহিদায় ঊর্ধ্বগতির কারণে বাল্টিক এক্সচেঞ্জের প্রধান সি ফ্রেইট ইনডেক্স প্রায় ১০ শতাংশ বেড়ে তিন মাসের সর্বোচ্চে পৌঁছেছে।

ক্যাপসাইজ, প্যানাম্যাক্স এবং সুপ্রাম্যাক্স ভেসেলগুলোর ভাড়ার হার অনুসরণ করে বাল্টিক ড্রাই ইনডেক্স। জানুয়ারিতে এ সূচক ১৫৫ পয়েন্ট বা ৯ দশমিক ৭ শতাংশ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ৭৬১ পয়েন্টে, যা গত বছরের মধ্য-অক্টোবরের পর সর্বোচ্চ। এর মধ্যে ক্যাপসাইজ ইনডেক্সে যুক্ত হয়েছে ৪০৭ পয়েন্ট। এছাড়া প্যানাম্যাক্স ও সুপ্রাম্যাক্স ইনডেক্সে যুক্ত হয়েছে যথাক্রমে ৬১ ও ১০ পয়েন্ট।

রেকর্ড শীতল আবহাওয়ার কারণে চীনে বিদ্যুতের চাহিদা বেড়েছে যথেষ্ট। এছাড়া ব্রাজিল থেকে লৌহ আহরিক আমদানিও বাড়িয়েছে দেশটি। উভয় পরিস্থিতি বাল্টিক ড্রাই ইনডেক্স বাড়াতে অবদান রেখেছে।

ইতালিতে আবারো শুরু হচ্ছে ক্রুজ সেবা

ছুটির মৌসুমে ক্রুজ সেবা বন্ধ রাখার সরকারি অনুরোধে সাড়া দেয়ার পর চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে ইতালিতে এ সেবা পুনরায় শুরুর ঘোষণা দিয়েছে এমএসসি ও কোস্টা ক্রুজেস। গ্রান্দিয়োসা জাহাজ দিয়েই ক্রুজ সেবা চালু করছে এমএসসি। মার্চের শেষ দিক পর্যন্ত জেনোয়া থেকে সাপ্তাহিক এ সেবা চালু থাকবে। যাত্রাবিরতি থাকবে সিভিটাভেক্কিয়া, নেপলস, পালেরমো এবং মাল্টায়। ইতালির যেকোনো বন্দর থেকে যাত্রীরা করোনাভাইরাস পরীক্ষার নেগেটিভ সনদ নিয়ে জাহাজে উঠতে পারবেন। এমএসসির মতো কোস্টা ক্রুজেসও জানুয়ারি থেকে বেশ কয়েকটি ক্রুজ সেবা চালু করছে।

এদিকে উত্তর আমেরিকা পরিভ্রমণকারী ক্রুজ সেবাদাতা প্রতিষ্ঠানগুলো কবে নাগাদ সেবাগুলো চালু করবে তা এখনো নির্দিষ্ট করে জানায়নি।

মেরিটাইম ডিজিটালাইজেশনে গুরুত্ব আইএপিএইচ ও বিশ্বব্যাংকের

বৈশ্বিক মেরিটাইম শিল্পে ডিজিটালাইজেশন আরো ত্বরান্বিত করার আহ্বান জানিয়েছে বিশ্বব্যাংক এবং ইন্টারন্যাশনাল অ্যাসোসিয়েশন অব পোর্টস অ্যান্ড হার্বারস (আইএপিএইচ)। ডিজিটালাইজেশনের ওপর নতুন একটি প্রতিবেদন প্রকাশ উপলক্ষে আয়োজিত এক ওয়েবিনারে সংস্থা দুটি জানিয়েছে, মেরিটাইম খাতে ডিজিটালাইজেশন বহুমুখী অর্থনৈতিক সুফল নিয়ে আসবে এবং আরো শক্তিশালী ও টেকসই পুনরুদ্ধারে সহায়তা করবে। পাশাপাশি বৈশ্বিক অর্থনীতিতে দেশগুলোর অংশগ্রহণ পুরোপুরি নিশ্চিতে ভূমিকা রাখবে।

ডিজিটালাইজেশন প্রক্রিয়াকে আরো ত্বরান্বিত করতে বন্দর ও মেরিটাইম ট্রান্সপোর্ট কমিউনিটিকে সহায়তা করতে সংস্থা দুটি তাদের নতুন প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। প্রতিবেদনে দীর্ঘমেয়াদি অর্থনৈতিক সুফল তুলে ধরার পাশাপাশি ডিজিটালাইজেশন প্রক্রিয়া যে মানব সংশ্লিষ্টতা কমাতে ভূমিকা রাখবে সেটাও উপস্থাপন করা হয়েছে। করোনা ভাইরাসসৃষ্ট মহামারির মধ্যে ডিজিটালাইজেশনের এ ভূমিকা বর্তমানে আরো অর্থবহ হয়ে উঠেছে।

স্ক্রাবারযুক্ত হতে যাচ্ছে ভিএলসিসি বহরের ৪০%

জাহাজে স্ক্রাবার যুক্ত করার দৌড়ে এগিয়ে আছে বৃহদাকৃতির ক্রুড ক্যারিয়ারগুলো (ভিএলসিসি)। গিবসন শিপব্রোকারস জানাচ্ছে, ২০২১ শেষে এ গোত্রের ক্যারিয়ারগুলোর ৪০ শতাংশে স্ক্রাবার যুক্ত হতে পারে।

বিদ্যমান ভিএলসিসি বহরের ৩১ শতাংশে এরই মধ্যে স্ক্রাবার যুক্ত হয়েছে। আরো ৭ শতাংশে প্রক্রিয়াধীন আছে। এছাড়া নির্মাণাদেশপ্রাপ্ত ৩২ শতাংশ ভিএলসিসিতে এটা যুক্ত থাকবে বলে আশা করা হচ্ছে।

মহামারির কারণে জাহাজে স্ক্রাবার স্থাপন করে উচ্চ সালফারযুক্ত জ্বালানি তেলের (এইচএসএফও) ব্যবহার ২০২০ সালে বেশ কমে গিয়েছিল। তবে শিপইয়ার্ড ও স্ক্রাবার নির্মাতাদের সঙ্গে চুক্তিগত বাধ্যবাধকতার কারণে জাহাজ মালিকরা জাহাজে স্ক্রাবার স্থাপনের কাজ বাতিল করেনি। সম্প্রতি তেলের দাম বাড়ার কারণে এইচএসএফও এবং ভিএলএসএফওর (অত্যন্ত স্বল্প সালফারযুক্ত তেল) মধ্যে টনপ্রতি পার্থক্য দাঁড়িয়েছে ৮০ থেকে ১০০ ডলার। ফলে স্ক্রাবারযুক্ত ভিএলসিসিগুলোর দিনপ্রতি সাশ্রয় হচ্ছে ৫ হাজার ডলার।

নাবিক বদলের সংকট সমাধানে যুক্ত হয়েছে ৩০০ প্রতিষ্ঠান

নাবিক বদলের চলমান সংকট মোকাবিলার উদ্যোগে যুক্ত হয়েছে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের তিনশরও বেশি প্রতিষ্ঠান ও সংগঠন। নেপচুন ডিক্লারেশন অন সিফেয়ারার ওয়েলবিং অ্যান্ড ক্রু চেঞ্চ-এ সই করার মধ্য দিয়ে প্রতিষ্ঠানগুলো মেরিটাইম শিল্পের সবচেয়ে কঠিন এ চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার উদ্যোগ নিয়েছে।

মহামারির কারণে সৃষ্ট লকডাউন ও ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞার কারণে নাবিক বদলের সুযোগ না থাকায় লাখ লাখ নাবিক বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে জাহাজে আটকা পড়েছে এবং চুক্তিতে উল্লেখিত মেয়াদের বাইরে কাজ করতে বাধ্য হচ্ছে, যা অপ্রত্যাশিত এক মানবিক সংকটের সৃষ্টি করেছে। দীর্ঘদিন ধরে সমুদ্রে অবস্থানের কারণে শারীরিক ও মানসিক নানা সমস্যায় ভুগছে তারা।

বন্দরে নাবিক বদলের কাজে সহায়তা করতে নেপচুন ঘোষণায় চারটি বিষয় প্রাধান্য পেয়েছে। এগুলো হচ্ছে, নাবিকদের সম্মুখসারির কর্মী বিবেচনা করে তাদের জরুরি ভিত্তিতে টিকা প্রদান; বিদ্যমান উত্তম চর্চার ভিত্তিতে স্বাস্থ্য প্রটোকলের ক্ষেত্রে ‘গোল্ড স্ট্যান্ডার্ড’ প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন; শিপ অপারেটর ও চার্টারারদের মধ্যে সহযোগিতা আরো জোরদার; এবং নাবিকদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ মেরিটাইম হাবগুলোর মধ্যে আকাশপথে যোগাযোগ স্থাপন।

সংবাদ সংক্ষেপ – ফেব্রুয়ারী

পরিবেশ সুরক্ষায় গঠিত হলো নয়া জোট

বিশ্বে মোট কার্বন নিঃসরণের অন্তত ৩০ শতাংশের জন্য দায়ী শিপিং, ট্রান্সপোর্ট এবং অন্যান্য ভারী শিল্প খাত থেকে কার্বন নিঃসরণ কমাতে নতুন জোটের ঘোষণা এল সুইজারল্যান্ডের দাভোসে অনুষ্ঠিত ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামে। দ্য মিশন পসিবল পার্টনারশিপ নামের এ যৌথ উদ্যোগের সাথে আছে শীর্ষ অন্তত ৪০০ কোম্পানি, থাকছে প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে যুক্ত ক্রেতা, সরবরাহকারী, আর্থিক প্রতিষ্ঠান, ব্যাংক, শেয়ারহোল্ডার এবং নিয়ন্ত্রক সংস্থা। নেতৃত্বে থাকবে এনার্জি ট্রানজিশন কমিশন, রকি মাউন্টেন ইনস্টিটিউট, দ্য উই মিন বিজনেস কোয়ালিশন এবং ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরাম।

দশ মাসে প্রথমবার ৫০ ডলার ছাড়াল তেলের দাম

দিনে এক মিলিয়ন ব্যারেল করে অপরিশোধিত তেল উৎপাদন হ্রাস করতে যাচ্ছে সৌদি আরব, ওপেক প্লাসভুক্ত বাকি দেশগুলোও কমিয়ে আনবে উৎপাদন, এ ঘোষণার পরপরই ২০২০ সালের ফেব্রুয়ারির পর প্রথমবার তেলের দাম বেড়ে ব্যারেলপ্রতি ৫০ ডলার ছাড়িয়েছে। গত বছর তেলের দাম সর্বকালের সর্বনিম্নে আসার প্রেক্ষিতে এ ঘোষণা দিল দেশগুলো। পরিস্থিতির উন্নতি হলে ফেব্রুয়ারি [1] মার্চ নাগাদ অতি ধীরে বাড়ানো হবে উৎপাদন, যার শুরু করবে রাশিয়া ও কাজাখস্তান। মিলিতভাবে দৈনিক ৭৫ হাজার ব্যারেল করে উৎপাদন বাড়াবে দেশ দুটি।

আলট্রাডিপওয়াটার রিগ থেকে রকেট লঞ্চিং প্যাড

অফশোর ড্রিলিং কোম্পানি ভালারিস থেকে ক্রয়কৃত দুইটি আলট্রাডিপওয়াটার রিগকে কিছুটা পরিবর্তন করে রকেট লঞ্চ প্যাডে রূপান্তর করবে বাণিজ্যিক স্পেস ফ্লাইট অপারেটর স্পেসএক্স। সমুদ্রে রকেট লঞ্চ সাইট বসানোর সুবিধা হলো, রকেটের পেলোড ক্যাপাসিটি সর্বোচ্চ পাওয়া যায়, এটি ব্যয়সাশ্রয়ীও বটে। মঙ্গলের দুই চাঁদের সাথে মিলিয়ে স্পেসএক্স রিগ দুটির নাম রেখেছে ডিমোস ও ফোবোস। এর আগেও ১৯৯৯ সালে ব্যবহৃত অফশোর অয়েল রিগকে পরিমার্জন করে রকেট উৎক্ষেপণস্থল হিসেবে ব্যবহার করেছে স্পেস কোম্পানি সি লঞ্চ, ২০১৪ পর্যন্ত যেটি সাফল্যের সাথে অন্তত ৩০টি রকেট পাঠিয়েছে মহাশূন্যে।

প্রথমবারের মতো ইরিডিয়াম

জিএমডিএসএস-এর বাণিজ্যিক ব্যবহার নরওয়ের পতাকাবাহী ট্রলার ট্রাইগভেসনেদুইটি বাণিজ্যিক লার্স থ্রেন এলটি-৩১০০এস ইরিডিয়াম জিএমডিএসএস টার্মিনাল বসানোর মাধ্যমে ইতিহাসের সাক্ষী হলো দেশের প্রাচীন বন্দরনগরী হাউগেসুন্ড। ইরিডিয়াম জিএমডিএসএস সিস্টেমটি অ্যাপ্লায়েড স্যাটেলাইট টেকনোলজি কোম্পানির নির্মিত হলেও পুরো টার্মিনাল নির্মাণ করেছে লার্স থ্রেন এ/এস, ইনস্টল করেছে স্থানীয় মেরিন সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান ব্রুমল্যান্ড ইলেকট্রনিক। ইরিডিয়ামের অসাধারণ বৈশি^ক নেটওয়ার্কে প্রবেশের পাশাপাশি এ সিস্টেমে থাকছে ভয়েস ও এসএমএস সার্ভিস, ইউনিক ডিস্ট্রেস অ্যালার্ট অ্যান্ড সেফটি ভয়েস ক্যাপাবিলিটি।

পোর্টস বিলে অন্ধ্র প্রদেশের বিরোধিতা

ছোট বন্দরগুলো কেন্দ্র সরকারের নিয়ন্ত্রণেআনতে ঘোষিত ইন্ডিয়ান পোর্টস বিল, ২০২০ এর বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছে অন্ধ্র প্রদেশের রাজ্য সরকার। বিল পাস হলে নতুন আইন অনুযায়ী কোন বন্দর অপারেশনাল থাকবে, কোনটি বন্ধ করে দেওয়া হবে, কাকে বেসরকারি খাতে ছেড়ে দেওয়া হবে-সেটা নির্ধারণের ক্ষমতা থাকবে শুধুই কেন্দ্র সরকারের। তার আগে সমুদ্র সংলগ্ন রাজ্যগুলোকে নিয়ে সমন্বয় সভার আহ্বান জানিয়ে দিল্লিকে চিঠি দিয়েছে অন্ধ্র প্রদেশ। প্রস্তাবিত বিলের কয়েকটি উপধারা নিয়ে আপত্তি জানিয়েছে গুজরাট মেরিটাইম বোর্ডও।

২০২৫ ব্লু-ইকোনমি স্ট্র্যাটেজি চূড়ান্ত করেছে যুক্তরাষ্ট্র

বৈশি^ক ব্লু-ইকোনমিকে আগামী দশকের মধ্যে তিন ট্রিলিয়নে নিয়ে যেতে ২০২১-২০২৫ ব্লু-ইকোনমি প্ল্যান অনুমোদন দিয়েছে ইউএস ন্যাশনাল ওশেনিক অ্যান্ড অ্যাটমোসফরিক অ্যাডমিনিস্ট্রেশন। পঞ্চশালা এ পরিকল্পনা অনুযায়ী মূলত মেরিন ট্রান্সপোর্ট, ওশান এক্সপ্লোরেশন, সিফুড আহরণ, ট্যুরিজম এবং টেকসই উপকূল-সুনীল অর্থনীতির এ পাঁচ খাতকে অগ্রাধিকার দেবে যুক্তরাষ্ট্র। এসব খাতে পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপ, বিদ্যমান প্রযুক্তির আধুনিকায়ন এবং প্রশিক্ষিত জনবল গড়ে তোলার সমন্বিত রোডম্যাপ থাকছে এখানে।

পুরনো এলএনজি প্লান্ট নতুন করে খুলবে মিসর

আট বছর বসে থাকার পর নতুন করে দেমিয়েত্তা লিকুইফায়েড ন্যাচারাল গ্যাস প্রডাকশন প্লান্টকে চালু করতে যাচ্ছে মিসর। ইউরোপের দেশগুলোতে এলএনজি রপ্তানি বাড়াতেই এ উদ্যোগ, জানিয়েছেন দেশটির তেলমন্ত্রী তারেক আল মোল্লা। এ কারখানা থেকে বছরে ৪.৫ মিলিয়ন টন এলএনজি উৎপাদনের মাধ্যমে দেশের এলএনজি সক্ষমতা ১২.৫ মিলিয়ন টনে উন্নীত করে বিশ্বের শীর্ষ ১০ এলএনজি রপ্তানিকারক দেশের একটি হয়ে ওঠার লক্ষ্যে কাজ করছে মিসর। তেলসমৃদ্ধ অন্যান্য আরব প্রতিবেশী দেশগুলো মিলিতভাবে যেখানে বৈশ্বিক এলএনজির মাত্র ১ শতাংশ সরবরাহ করে, সে তুলনায় মিসর এলএনজি খাতে অনেকটাই এগিয়ে।

 পিছিয়ে গেল দুই কোরিয়ান কোম্পানির একত্রীকরণ

চীন, কাজাখস্তান, সিঙ্গাপুরের অনুমোদন পেলেও ইইউর কাছ থেকে প্রয়োজনীয় অনুমোদন প্রক্রিয়া শেষ না হওয়ায় আপাতত পিছিয়ে গেছে কোরিয়া শিপবিল্ডিং অ্যান্ড অফশোর ইঞ্জিনিয়ারিং কর্তৃক দায়ু শিপবিল্ডিং অ্যান্ড মেরিন ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের (ডিএসএমই) অধিগ্রহণ। ১.৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের বিনিময়ে দুই কোম্পানি একীভূত হয়ে গেলে চার হেভিওয়েট কোরিয়ান জাহাজ নির্মাতা প্রতিষ্ঠান-হুন্দাই হেভি, হুন্দাই সামহো, হুন্দাই মিপো এবং ডিএসএমই একই ছাতার নিচে চলে আসবে।

বছর শেষে ঊর্ধ্বমুখী চীনের অর্থনীতি

করোনা-জর্জরিত বছরে বেশির ভাগ দেশের অর্থনীতি গোঁত্তা খেলেও ২০২০ সালের চতুর্থ প্রান্তিকে বেশ দ্রুত উঠে এসেছে চীনের অর্থনীতি, যা নতুন বছরেও বজায় থাকবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। বৃহৎ অর্থনীতিগুলোর মধ্যে সদ্যবিদায়ী বছরে একমাত্র দেশ হিসেবে প্রবৃদ্ধির সূচক নিচে না নেমে চীনের জিডিপি বেড়েছে ২.৩ শতাংশ। রয়টার্সের জরিপ অনুযায়ী বিগত দশকে এ বছরই সর্বোচ্চ গতিতে, অন্তত ৮.৪ শতাংশ হারে বাড়বে জিডিপি। বেইজিংয়ের কঠোর লকডাউন নীতিমালার কারণে অন্যান্য দেশের তুলনায় করোনা নিয়ন্ত্রণে অনেকটাই সফল চীন। ওদিকে কোভিডের কারণে বিপর্যস্ত দেশগুলোতে পণ্য সরবরাহ বাড়াতে পুরোদমে কাজ করছে তাদের ম্যানুফ্যাকচারিং খাত। যার প্রতিফলন দেখা যাচ্ছে প্রবৃদ্ধি সূচকে।

বন্দরকেন্দ্রিক উন্নয়নে বিলিয়ন ডলার ব্যয় করবে দক্ষিণ কোরিয়া

দেশের বন্দরগুলোর অবকাঠামোগত উন্নয়নে৬ বিলিয়ন ডলারের ১০ বছর মেয়াদি উচ্চাভিলাষী পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে দক্ষিণ কোরিয়ার সমুদ্র ও মৎস্যসম্পদ মন্ত্রণালয়। বন্দরগুলোকে শুধু আমদানি-রপ্তানির স্থান হিসেবে সীমাবদ্ধ না রেখে পর্যটন, সংস্কৃতি এবং বাণিজ্যকেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলা হবে। দ্য থার্ড বেসিক পোর্ট রিডেভেলপমেন্ট প্ল্যান শিরোনামের এ পরিকল্পনার অধীনে ২০৩০ সালের মধ্যে মোট ১৯টি প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হবে। পাশাপাশি ডংহাই, বুসান নর্থ পিয়ারের মতো পুরনো বা পরিত্যক্ত বন্দরগুলোকে ঢেলে সাজিয়ে বিনোদন, পর্যটনের উপযোগী করে তুলবে দক্ষিণ কোরিয়া।

বিশ^মানের বন্দর নির্মাণে বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ ভিয়েতনামের

দেশের পোর্ট সিস্টেম মাস্টারপ্ল্যানের পরবর্তী ধাপে বন্দরকে বিশ্বমানে নিয়ে যেতে ৬ থেকে ৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলার ব্যয় করবে ভিয়েতনাম। গত ২০ বছরে দেশটিতে বন্দরের মান ও সংখ্যা দুটিই বৃদ্ধির পর ক্রমবর্ধমান অর্থনীতির চাপ সামাল দিতে সুবিশাল এ উদ্যোগ হাতে নেওয়া হয়েছে, জানিয়েছেন ভিয়েতনামের পরিবহন উপমন্ত্রী নগুয়েন নহাত। সমুদ্র ও নদীবন্দর, হোয়ার্ফ, বয়া, ওয়াটার জোন, দেশের জলসীমার উন্নয়নে বিস্তারিত পরিকল্পনা অন্তর্ভুক্ত হয়েছে এই মাস্টারপ্ল্যানে।

জেএনপিটি এসইজেডে চার হাজার কোটি টাকার বিনিয়োগ পরিকল্পনা

সরকারি-বেসরকারি মিলিয়ে নিজেদের স্পেশাল ইকোনমিক জোনে মোট ৪ হাজার কোটি টাকার বিনিয়োগ আকর্ষণের উদ্দেশ্যে খসড়া পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে ভারতের অন্যতম বৃহৎ বন্দর জওহরলাল নেহরু পোর্ট ট্রাস্ট। পরিকল্পনা কার্যকর হলে চাকরির মাধ্যমে ৭২ হাজার মানুষের সরাসরি কর্মসংস্থানের পাশাপাশি অন্তত দেড় লাখ মানুষের জীবিকার উৎস হবে এই এসইজেড। পুরোপুরি জেএনপিটির অর্থায়নে কয়েকটি ধাপে প্রয়োজনীয় অবকাঠামো গড়ে তোলা হবে এসইজেডে, যার প্রাথমিক ব্যয় ধরা হয়েছে ৫০০ কোটি রুপি।

সংবাদ সংকেত – ফেব্রুয়ারী

ডোনাল্ড ট্রাম্পের কারণে প্যারিস জলবায়ু চুক্তি থেকে বের হয়ে যাওয়া যুক্তরাষ্ট্র নতুন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের নেতৃত্বে ফের যোগ দিতে চলেছে বৈশ্বিক উষ্ণায়নরোধী বৃহত্তম আন্তর্জাতিক জোটে।

২০২০ সালের আগস্টে ঘটে যাওয়া ভয়াবহ বৈরুত বিস্ফোরণ তদন্তের সুবিধার্থে অ্যামোনিয়াম নাইট্রেটবাহী জাহাজের ক্যাপ্টেন ও জাহাজ মালিকের বিরুদ্ধে রেড নোটিস জারি করেছে ইন্টারপোল।

করোনা মহামারির কারণে বৈশ্বিক বাণিজ্যে স্থবিরতার পরও ২০২০ সালে মোট ৪৩.৫ মিলিয়ন টিইইউ ভলিউম হ্যান্ডল করে বৈশ্বিক ব্যস্ততম বন্দরের স্থান ধরে রেখেছে সাংহাই বন্দর।

প্যারিস অফিসে বসে ড্রোন ব্যবহার করে মার্শেই বন্দরে অবস্থানরত কর্সিকার জাহাজে সফল আন্ডারওয়াটার রিমোট সার্ভে সম্পন্ন করেছে ক্ল্যাসিফিকেশন সোসাইটি ব্যুরো ভেরিটাস।

চলতি বছরের মধ্যে বিশ্বের বৃহত্তম সম্পূর্ণভাবে বিদ্যুৎ চালিত যাত্রীবাহী জাহাজ নির্মাণ করবে চায়না শিপবিল্ডিং কর্পোরেশনের অঙ্গপ্রতিষ্ঠান উশি সাইসিয়ি ইলেকট্রিক টেকনোলজি।

ইরানের ছাবাহার বন্দরকে দুইটি মোবাইল হারবার ক্রেন সরবরাহ করেছে ভারত, মোট ছয়টি ক্রেনের নির্মাণ, পরিবহন ও ইনস্টলেশনসহ পুরো প্রক্রিয়ায় ব্যয় হবে ২৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।

সিঙ্গাপুরভিত্তিক পিএসএ ইন্টারন্যাশনালের মোট তিনটি টার্মিনাল রয়েছে ভারতের মুম্বাই, চেন্নাই ও কলকাতা বন্দরে। গত ডিসেম্বরে সম্মিলিতভাবে রেকর্ড ২ লাখ ৫৭ হাজার ৩৪৭ টিইইউ ভলিউম হ্যান্ডল করেছে টার্মিনালত্রয়।

দুই প্রতিবেশী দেশে সহজে ট্রেন চলাচলের উদ্দেশ্যে সমঝোতা স্মারক চুক্তি স্বাক্ষর করেছে ইরান ও আফগানিস্তান। যদিও গত অক্টোবরেই ইরানের খাফ থেকে আফগানিস্তানের হেরাত পর্যন্ত যাত্রীবাহী ট্রেন চলাচল শুরু হয়েছে।

নিজেদের বহরে থাকা প্রথম উইন্ড প্রপালশন রেট্রোফিটেড টেকনোলজিযুক্ত জাহাজ মায়েস্ক পেলিক্যানকে ইন্দোনেশীয় ট্যাংকার কোম্পানি বুয়ানা লিনতাস লাউটানের কাছে বিক্রি করে দিয়েছে লিকুইড বাল্ক শিপিং প্রতিষ্ঠান মায়েস্ক ট্যাংকার।

২০২২ সালের মধ্যে নাবিকবিহীন, পুরোপুরি স্বয়ংক্রিয় জাহাজ বাজারে আনতে চলেছে স্যামসাং হেভি ইন্ডাস্ট্রিজ। ইতিমধ্যে এ প্রতিষ্ঠানের নির্মিত অটোনোমাস সেইলিং সিস্টেমের সি ট্রায়াল সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে।

নাম প্রকাশ না করা এশিয়ান শিপিং লাইনের জন্য বছরের শুরুতেই ৮২৮ মিলিয়ন মার্কিন ডলারে এলএনজিচালিত ছয়টি ১৫ হাজার টিইইউ জাহাজ নির্মাণের কার্যাদেশ পেয়েছে কোরিয়া শিপবিল্ডিং অ্যান্ড অফশোর ইঞ্জিনিয়ারিং।

মিথেন নিঃসরণ, ডিকার্বনাইজেশন এবং কার্বনের মূল্য নিয়ে মতানৈক্যের জেরে আমেরিকান পেট্রোলিয়াম ইনস্টিটিউট থেকে সদস্যপদ প্রত্যাহার করে নিয়েছে ফ্রেঞ্চ তেল কোম্পানি টোটাল।

ফ্যাল কনভেনশন বাস্তবায়নে ধুঁকছে বন্দরগুলো

আন্তর্জাতিক মেরিটাইম সংস্থার (আইএমও) কনভেনশন অন ফ্যাসিলিটেশন অব ইন্টারন্যাশনাল মেরিটাইম ট্রাফিক (ফ্যাল কনভেনশন) বাস্তবায়নে বিশে^র অধিকাংশ বন্দরই পিছিয়ে আছে। গত বছরের অক্টোবরে ইন্টারন্যাশনাল অ্যাসোসিয়েশন অব পোর্টস অ্যান্ড হার্বারস (আইএপিএইচ) পরিচালিত এক জরিপে দেখা গেছে, অধিকাংশ বন্দর ইলেকট্রনিক ডেটা বিনিময়ের বাধ্যবাধকতা বাস্তবায়নে ধুঁকছে।

ভেসেল, কার্গো, নাবিক ও যাত্রীদের ছাড়পত্রে সহায়তা করতে ফ্যাল কনভেনশন অনুযায়ী জাতীয় সরকারগুলোকে জাহাজ ও বন্দরের মধ্যে ইলেকট্রনিক পদ্ধতিতে তথ্য বিনিময় বাধ্যতামূলক। জরিপে এ কনভেনশন বাস্তবায়নের বর্তমান চিত্র এবং সংশ্লিষ্ট প্রতিবন্ধকগুলোও তুলে ধরা হয়েছে।

আইএপিএইচ পরিচালিত জরিপে উঠে এসেছে, বাধ্যতামূলকভাবে ইলেকট্রনিক তথ্য বিনিময়ে বন্দরগুলো রীতিমতো সংগ্রাম করে যাচ্ছে। জরিপে অংশ নেয়া বন্দরগুলোর এক-তৃতীয়াংশ এখনো এ প্রক্রিয়া বাস্তবায়ন শুরুই করেনি। এক- তৃতীয়াংশ বাস্তবায়ন প্রক্রিয়ার নকশা প্রণয়ন করেছে এবং বাদবাকিগুলো তথ্য বিনিময় ব্যবস্থা চালু করেছে।

আইএপিএইচ জানিয়েছে, বন্দরে ছাড়পত্র প্রক্রিয়ায় জটিলতার অন্যতম কারণ ভিন্ন ভিন্ন কর্তৃপক্ষের সংশ্লিষ্টতা। প্রতিটি কর্তৃপক্ষের নিজস্ব দায়িত্ব রয়েছে। এক্ষেত্রে ডেটা চাহিদায়ও ভিন্নতা রয়েছে। এছাড়া সবগুলো কর্তৃপক্ষ তাদের প্রতিষ্ঠিত নিজস্ব সংস্কৃতি ও চর্চা অনুসরণ করে থাকে। পাশাপাশি সংস্থাগুলোর নিজস্ব আইনগত কাঠামোও ফ্যাল কনভেনশন বাস্তবায়নে প্রতিবন্ধক হিসেবে কাজ করছে।

জরিপে উঠে এসেছে, বন্দর ও ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষের ভিন্ন ভিন্ন দায়িত্বও তথ্য বিনিময় ব্যবস্থা বাস্তবায়ন প্রক্রিয়াকে থমকে দিচ্ছে। ভেসেল ও কার্গো চলাচল ব্যবস্থার কেন্দ্রীয় কর্তৃপক্ষ হিসেবে সাধারণত কাজ থাকে বন্দর সংস্থাগুলো। অন্যদিকে ইমিগ্রেশন এবং কিছুমাত্রায় স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ নাবিক ও যাত্রী ছাড়পত্র প্রক্রিয়ায় মুখ্য ভূমিকা রাখে।

জরিপ প্রতিবেদনে আইএপিএইচ ফ্যাল কনভেনশন বাস্তবায়নে জরুরি তাৎক্ষণিক, স্বল্প ও মধ্যমেয়াদি পদক্ষেপগুলো শনাক্ত করে সেগুলোর ওপর গুরুত্ব প্রদান করেছে।

ঐতিহাসিক উচ্চতায় পণ্য পরিবহন ভাড়া

দীর্ঘমেয়াদি চুক্তিতে জাহাজে পণ্য পরিবহন ভাড়া (কন্ট্রাক্টেড ফ্রেইট রেট) বেড়েই চলেছে। মার্কেট ইন্টেলিজেন্স প্রতিষ্ঠান জেনেটা জানিয়েছে, সহসা ভাড়া কমার কোনো লক্ষণ এখনো দেখা যাচ্ছে না। বছরভিত্তিতে গত জানুয়ারিতে ভাড়া বেড়েছে সাড়ে ৪ শতাংশ।

জেনেটা প্রকাশিত সর্বশেষ এক্সএসআই পাবলিক ইনডিসেস অনুযায়ী, বন্দরজট, সরঞ্জামের স্বল্পতা, অসম চাহিদার কারণে কনটেইনার শিপিং কোম্পানিগুলো ভাড়া-বিষয়ক চুক্তির ক্ষেত্রে শক্তিশালী পক্ষ হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে। প্রতিষ্ঠানটির বিশ্লেষণ বলছে, কয়েক মাস ধরে গুরুত্বপূর্ণ কিছু বাণিজ্যপথে উচ্চ স্পট রেটের কারণে দীর্ঘমেয়াদি চুক্তিতে আগ্রহ বাড়ছে, ফলে বৈশি^কভাবে শিপারদের ওপর চাপ প্রচ- বেড়েছে।

ভাড়া বৃদ্ধির পেছনের কারণ বেশ জটিল বলে জানিয়েছেন জেনেটার প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা প্যাট্রিক বারগ্রাল্ড। তিনি বলেন, চীন থেকে রপ্তানি বাড়ছে হু-হু করে। অন্যদিকে দেশটির আমদানি তেমন বাড়েনি। ফলে কনটেইনারগুলো ইউরোপ বা যুক্তরাষ্ট্রের বন্দরে আটকে আছে, যেখানে সেগুলো দূরপ্রাচ্যের বন্দরগুলোয় ফিরে যাওয়া জরুরি। পাশাপাশি কিছু কিছু গুরুত্বপূর্ণ বন্দরে অসম্ভব জট চলছে আর তাতে করে অপেক্ষার সময় বাড়ছে। এটা এরই মধ্যে সক্ষমতার চাপে থাকা বন্দরগুলোকে আরো বিপর্যস্ত করে তুলেছে। ফলে সরবরাহ ও চাহিদার মধ্যে ভারসাম্যহীনতা সৃষ্টি করছে। এর ওপর করোনাভাইরাসসৃষ্ট প্রভাব তো রয়েছেই।

গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যপথগুলোয় আঞ্চলিক আমদানি ও রপ্তানিচিত্র উঠে এসেছে এক্সএসআই সূচকে। ইউরোপে আমদানির ক্ষেত্রে মাসিক এক্সএসআই বেড়েছে প্রায় ২০ শতাংশ, বছরভিত্তিতে এ বেঞ্চমার্ক বেড়ে দাঁড়িয়েছে সাড়ে ১২ শতাংশ। অন্যদিকে রপ্তানি বছরভিত্তিতে কমেছে ১ দশমিক ৬ শতাংশ। মূলত এশিয়ার দেশগুলো থেকে রপ্তানি বৃদ্ধিই ইউরোপের আমদানি বাড়ার পেছনে ভূমিকা রেখেছে।